শনিবার, জুলাই ৪, ২০২০ | ০৯:৩৪
২০ আষাঢ়, ১৪২৭ | ১২ জিলক্বদ, ১৪৪১
লাইফ স্টাইল

২৪ নিউজভিশন.কম> রান্নায় কিংবা কাঁচা -সবভাবেই কাঁচা মরিচ খাওয়া যায়। এটা শুধু খাদ্যের স্বাদই বাড়ায় না, এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিনও রয়েছে। এটা স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী।
কাঁচা মরিচে শূণ্য পরিমাণে ক্যালরি থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়ম করে প্রতিদিন ১ অথবা ২ টি করে কাঁচা মরিচ খেলে শরীর অনেক সুস্থ থাকে।
কাঁচা মরিচ ভিটামিন কে এর ভাল উৎস। যা রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি কমায়। ফলে হৃৎপিন্ড ভাল থাকে।
কাঁচা মরিচ বিপাকের হার বাড়িয়ে ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে। তা ছাড়া,এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন আছে যা হৃৎপিন্ডের কার্যকারিতা ঠিক রাখে।
এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
কাঁচা মরিচে ভিটামিন এ থাকায় হাড়,দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভাল রাখে। ভিটামিন সি থাকায় মাড়ি ও চুলে পুষ্টি যোগায়।
স্নায়ুর জন্যও উপকারী কাঁচা মরিচ। এটি ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়তে দেয় না। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
কাঁচা মরিচ খেতে যদিও ঝাল, কিন্তু এটা শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
কাঁচা মরিচ আয়রনের প্রাকৃতিক উৎস। যাদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি আছে তারা নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেতে পারেন।
এতে অ্যান্টিব্যাক্টোরিয়াল উপাদান থাকে । এটি ত্বকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
সূত্র : এনডিটিভি, নিউজ এইট্টিন

২৪ নিউজভিশন.কম> অভিবাসন আইনে দীর্ঘদিন ধরেই পরিবর্তন আনছে অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগ। দেশটির জনপ্রিয় কর্ম ভিসা ৪৫৭ বিলুপ্তির সঙ্গে এ ধরনের ভিসাগুলোর আবশ্যিক শর্তাবলির কঠোরতাও জোরদার করেছে দেশটির বর্তমান ম্যালকম টার্নবুল সরকার। একের পর এক আসা এসব পরিবর্তন নিয়ে বেশ শঙ্কাতেই থাকেন অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন প্রত্যাশী ও প্রবাসীরা। তবে এর মাঝেও এমন কিছু ভিসা এখনো রয়েছে যে ভিসায় সহজে অস্ট্রেলিয়ায় আসা যায়। সাবক্লাস ৪০৭ ট্রেনিং ভিসা তেমন একটি। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা এইচএসসি শেষ করেই এই ভিসার জন্য চেষ্টা করতে পারেন। এ ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় এসে দুই বছর পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে বসবাস ও পূর্ণকালীন কাজের সুযোগ রয়েছে। মেয়াদ শেষ হলে আবারও নবায়ন করা যায়।
৪০৭ ভিসার আদ্যোপান্ত
সাবক্লাস ৪০৭ প্রশিক্ষণ বা ট্রেনিং ভিসা। শিক্ষার্থীকে স্পনসরের মাধ্যমে মনোনীত হয়ে অস্ট্রেলিয়ায় আসতে হবে। এই ভিসা কাজের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেয়। বলতে গেলে, ৪০৭ ভিসাটি অনেকটা বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের মতোই উচ্চতর দক্ষতার প্রশিক্ষণ নেওয়া। এই ভিসায় প্রশিক্ষণটি দুইভাবে হতে পারে। সরাসরি একই পেশায় অস্ট্রেলিয়ায় কাজ করার মাধ্যমে অথবা কোনো প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মাধ্যমে। ভিসা মঞ্জুর হয়ে গেলে এই ভিসায় অস্থায়ী মেয়াদে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় থাকা ও কাজ করা যাবে। মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আবারও নবায়নের জন্য আবেদন করা যাবে।
আবশ্যিক শর্ত
প্রশিক্ষণ বা ট্রেনিং ভিসাটির আবেদন ও গ্রহণের কিছু আবশ্যিক শর্ত রয়েছে যা পূরণ হতেই হবে। প্রথমত যেহেতু ভিসাটি একটি স্পনসর ভিসা, তাই অস্ট্রেলিয়ার কমনওয়েলথ এজেন্সি বা সংস্থা কর্তৃক আবেদনকারীকে আমন্ত্রিত হতে হবে অথবা এমন কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা সংস্থার স্পনসর প্রয়োজন হবে যাদের অভিবাসন বিভাগ কর্তৃক স্পনসর করার অনুমতি রয়েছে। কার্যকরী ইংরেজি ভাষা দক্ষতা (আইইএলটিএস এ ৪.৫) থাকতে হবে। সেই সঙ্গে অবশ্যই ১৮ বছর বয়সী বা তার ঊর্ধ্বে হতে হবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইনস্যুরেন্স ও আর্থিক সামর্থ্য এসব প্রায় অন্যান্য ভিসার মতোই শর্ত পূরণ করতে হবে।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি- ফাইল ছবি

ভিসা প্রক্রিয়া
সাবক্লাস ৪০৭ ভিসাটিতে আবেদন করতে হলে তিনটি ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
ধাপ-এক: স্পনসরশিপের জন্য আবেদন
আবেদনকারীকে যে প্রতিষ্ঠান স্পনসর করবে সে প্রতিষ্ঠানটি যদি অস্ট্রেলিয়ার কমনওয়েলথ সরকারের কোনো সংস্থা না হয় তবে প্রতিষ্ঠানটিকে আগে অবশ্যই স্পনসর করার জন্য অনুমতি নিতে হবে। অভিবাসন বিভাগের ওয়েবসাইটে ইমি অ্যাকাউন্টের (immiaccount) মাধ্যমেই এর জন্য আবেদন করা যাবে। প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রতিষ্ঠানটির অস্ট্রেলিয়ায় পরিচালিত হচ্ছে এমন কিছু কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। আবেদন মঞ্জুর হয়ে গেলে পাঁচ বছর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি স্পনসর করতে পারবে। অর্থাৎ একজন স্পনসর মেয়াদ থাকাকালে একাধিক প্রার্থীকে মনোনীত করতে পারবে।
ধাপ-দুই. আমন্ত্রিত বা মনোনীত হওয়া
৪০৭ প্রশিক্ষণ ভিসাটি পেতে আবেদনকারীকে অবশ্যই অস্ট্রেলিয়ার কমনওয়েলথ সংস্থা কর্তৃক আমন্ত্রিত বা কোনো স্পনসর প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মনোনীত হতে হবে। মনোনয়ন ছাড়া এ ভিসায় আবেদন করা যায় না। কোনো প্রার্থীকে মনোনয়ন করতে অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগের ইমি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ‘নমিনেশন’ আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। আর এ প্রক্রিয়ার শুরুতেই স্পনসরের আবেদনপত্রের কিছু তথ্য দিতে হবে। আবেদনপত্রে স্পনসরের ও প্রার্থীর বর্ণনা, কোন কাজ বা প্রশিক্ষণের জন্য মনোনয়ন করা হচ্ছে তার বিস্তারিত এবং কোনো অতিরিক্ত শর্ত রয়েছে কিনা তার উল্লেখ করতে হবে। তবে পেশার ভিত্তিতে নমিনেশন আবেদনপত্র ভিন্ন হতে পারে। যেমন চিকিৎসক, নার্স বা রসায়নবিদদের অস্ট্রেলিয়ায় এ ধরনের কাজ করার লাইসেন্স কিংবা সদস্যপদের সনদ প্রাপ্তির কাগজপত্র লাগবে। এ ছাড়া এ রকম প্রমাণ থাকলে ভালো হয় যেমন অস্ট্রেলিয়ার বাইরে এমন কোনো শিক্ষার্থী যার অধ্যয়নরত বিষয়ে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সুবিধা নেই অথবা কোনো অস্ট্রেলীয় প্রতিষ্ঠানের দেশের বাইরের কোনো কার্যালয়ের কর্মী যার প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।
ধাপ-তিন. ৪০৭ ভিসায় আবেদন
সাবক্লাস ৪০৭ প্রশিক্ষণ ভিসায় কোনো প্রতিষ্ঠান স্পনসর করার অনুমতি পেয়েছেন এবং একজন প্রার্থীকে মনোনয়ন করেছেন। এবার সেই প্রার্থী মূল ভিসায় আবেদন করবেন। যথারীতি সেই একইভাবে ইমি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিতে হবে। আবেদনকারীর সকল তথ্য ও প্রমাণপত্র জমা দিয়ে ভিসা ফি প্রদানের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
আবেদন করা হয়ে গেলে অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগ ভিসাপ্রার্থীর স্পনসর, মনোনয়নপত্র ও আবেদনকারীর সকল তথ্য যাচাই করে দেখবে। সাধারণত সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি সঠিক থাকলে তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যেই ভিসা মঞ্জুর হয়ে যায়। তবে একটা কথা জেনে রাখা ভালো, ৪০৭ প্রশিক্ষণ ভিসাটির মূল উদ্দেশ্য কোনো পেশাদারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া। তাই এই ভিসার মাধ্যমে কেউ অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের মনোভাব পোষণ করছে এমন সন্দেহ হলে কখনই ভিসা আবেদন মঞ্জুর করবে না দেশটির অভিবাসন বিভাগ। তাই আপনার আবেদনপত্রে সম্ভাব্য ও প্রদত্ত সকল জায়গায় নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে অভিবাসন আইন সংক্রান্ত দক্ষ ও পেশাদারদের সহায়তা নিন। আর অবশ্যই অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগের ওয়েবসাইটে এ ভিসাটির বিস্তারিত তথ্য রয়েছে, এগুলো মনোযোগ নিয়ে পড়তে হবে। এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য হালনাগাদ হলো কিনা তাও নিয়মিত লক্ষ্য রাখতে হবে।
ভিসা লিংক: www.border.gov.au/Trav/Visa-1
কাউসার খান: অভিবাসন আইনজীবী। ইমেইল: <immiconsultants@gmail.com>

২৪ নিউজভিশন.কম> বিছানায় শুধু শোয়ার অপেক্ষা। কান পাততে হয় না, কিছুক্ষণ পরই কর্ণকুহরে আছড়ে পড়ে ‘খড়ড়ড়ড়, খড়ড়ড়ড়’। অনেকটা উচ্চাঙ্গসংগীতে বিভিন্ন রাগের অবরোহণ-আরোহণের মতো। হাজার হাঁকাহাঁকি-ডাকাডাকি করে জাগায় কার সাধ্য! অথচ এই মানুষটাই সারা রাত ‘সশব্দ নিদ্রা’ শেষে সকালে উঠে ভীষণ বিস্ময়ের সঙ্গে বলবে, ‘কে নাক ডাকে, আমি!’
আসলে ঘুমের মধ্যে যিনি নাক ডাকেন, তিনি টের পান না। এমন কারও সঙ্গে এক বিছানায় ঘুমোতে গেলে কিন্তু রাতের ঘুমের দফারফা! বিরক্তির একশেষ। হাসির খোরাক। কিছু ক্ষেত্রে ঈর্ষার পাত্রও। অনেকে ভেবে নেন, নাক ডাকা মানেই ভীষণ গভীর ও নিশ্চিত ঘুম। ভুল। বহু ক্ষেত্রেই নাক ডাকা মানে দৈহিক সমস্যার ‘সতর্কসংকেত’। শ্বাসযন্ত্র ও অন্য কিছু শারীরিক সমস্যার কারণে মানুষ নাক ডাকতে পারে। চিকিৎসকেরা বলেন, নাক ডাকা নানা রকম স্বাস্থ্য সমস্যার পাশাপাশি স্ট্রোক ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিরও আলামত।
নাক ডাকার মধ্য দিয়ে শরীর জানিয়ে দেয়, ঘুম একেবারেই ভালো হচ্ছে না। ঘুমন্ত ব্যক্তির শ্বাসনালিতে বাতাসের যাতায়াত কোথাও বাধা পাচ্ছে। পরিণামে শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়ে ঘুমের মধ্যে মৃত্যুও আশ্চর্য নয়! জেনে রাখা ভালো, নাক ডাকার আওয়াজটা আসলে নাক থেকে বের হয় না। এর উৎস গলা থেকে নাকের মধ্যবর্তী অংশে। নানা কারণে এ জায়গায় বাতাস যাতায়াতে বাধা পায় বলেই মানুষ নাক ডাকে। আসুন জেনে নিই নাক ডাকা থেকে মুক্তির কয়েকটি উপায়—
শোয়ার ভঙ্গি পাল্টান
আপনি কি চিত হয়ে ঘুমান? এভাবে ঘুমালে জিব কিছুটা পেছনে চলে গিয়ে শ্বাসনালি বন্ধ করে দেয়। এতে শ্বাস-প্রশ্বাস বাধাগ্রস্ত হয়ে শ্বাসযন্ত্রে কম্পনের সৃষ্টি হয়। ফলে মানুষ নাক ডাকে। কাত হয়ে শোয়ার মাধ্যমে এ সমস্যা দূর করা যায়। কাত হয়ে শুতে সমস্যা হলে মাথার নিচে অতিরিক্ত বালিশ দিয়েও কাজ হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির জেএফকে মেডিকেল সেন্টারের নিউরোফিজিওলজি ও স্লিপ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সুধাংশু চক্রবর্তীর পরামর্শ, চিত হয়ে শোয়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে পায়জামায় কোমরের কাছে টেনিস বল রাখতে পারেন। এতে ঘুমের মধ্যে আপনা-আপনি চিত হয়ে যাওয়া থেকে রেহাই পাবেন।
ওজন কমান
শরীরের অতিরিক্ত ওজন নাক ডাকার সাধারণ কারণগুলোর একটি। তবে শুকনো মানুষও কিন্তু নাক ডাকেন। যদিও চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটা প্রমাণিত যে শরীরের ওজন যত বেশি হবে, নাক ডাকার শঙ্কাও ততই বাড়বে। ঘাড়ের চারপাশের মেদ নাক ডাকার অন্যতম একটি কারণ। গলার ভেতরে অতিরিক্ত চর্বি জমলেও এটা হতে পারে। তবে এই অবস্থাটা মারাত্মক। কেননা, গলার মধ্যে চর্বি জমা মানে শ্বাসনালিতে বাতাস কম ঢুকবে। এতে শরীরে অক্সিজেনও কমবে। ৬০ শতাংশের নিচে অক্সিজেনের মাত্রা নামলেই ঘুমের মধ্যে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
অ্যালকোহল ও ধূমপান পরিহার করুন
অ্যালকোহল কিংবা মদজাতীয় পানীয় জিবের পেশিগুলো শিথিল করে দেয়। এতে শ্বাস-প্রশ্বাসের নালি সংকুচিত হয়ে পড়ে, ফলে মানুষ নাক ডাকতে পারে। ঘুমোতে যাওয়ার আগে যাঁরা অ্যালকোহল পান করেন, তাঁদের নাক ডাকার সম্ভাবনা খুব বেশি। রাতে ঘুমোনোর আগে অ্যালকোহল পান থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে এ সমস্যা দূর করা যায়।
অবশ্য শুধু অ্যালকোহল নয়, ধূমপায়ীদের মধ্যেও নাক ডাকার প্রবণতা সাধারণের চেয়ে বেশি। প্রতিনিয়ত ধোঁয়া গেলার কারণে বায়ুপ্রবাহের স্থান সরু হয়ে আসতে পারে। এ ছাড়া ধূমপানের কারণে নাকের টারবাইনেটস নামে বিশেষ ধরনের টিস্যু স্ফীত হয়ে যায়। এতে শ্বাস-প্রশ্বাসের জটিলতার কারণে নাক ডাকার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।
ভালো ঘুমের চেষ্টা করুন
নিশ্চিন্ত ও গভীর ঘুমের মূল্য শুধু অনিদ্রায় ভোগা রোগীরাই বুঝতে পারবেন। মানুষের সুস্থ-সবল দেহের নেপথ্যে রয়েছে ভালো ঘুম। অনিদ্রার অনেকগুলো কুফলের মধ্যে একটি নাক ডাকা। একটু ভেবে দেখুন তো, আপনার ভালো ঘুম হচ্ছে কি না?
প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোতে যাওয়া এবং নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন। এতে ঘুমের সঙ্গে শরীরের একধরনের সামঞ্জস্য তৈরি হবে। ফলে নাক ডাকার অভ্যাস থাকলে সেটারও পরিবর্তন ঘটবে। বিছানা পরিষ্কার রাখুন। বিছানায় ধুলাবালু থাকলে, ঘর বেশি ময়লা থাকলে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হতে পারে। এতে নাকের নালিতে ময়লা সংক্রমিত হয়ে নাকের পেশি ফুলে উঠতে পারে। এতে নাক ডাকার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
জিব ও গলার ব্যায়াম
নাক ডাকা বন্ধে শরীরের এ দুটি অঙ্গের পেশি শক্তিশালী করতে হবে। বয়সের কারণে টিস্যুর স্থিতিস্থাপকতা ও শক্তি কমে আসে। এতে গলায় বাতাস প্রবাহে সমস্যা হয়। এ সমস্যা কাটাতে দরকার ব্যায়াম। যেমন চোয়ালের নিচের অংশ ওপরের অংশ থেকে সামনে প্রসারিত করুন। আবার আগের অবস্থানে নিয়ে যান। টানা ১০ বার কাজটি করুন। এভাবে দিনে ৭ থেকে ১০ বার ব্যায়ামটি করতে পারেন। জিবের ব্যায়াম করতে পারেন কথা বলে। কোনো একটা বাক্য ধীরে ধীরে বলে যান। এভাবে দিনে ৭ থেকে ১০ বার এ ব্যায়াম করুন।
শেষ কথা
যাঁদের ঠান্ডা লেগেই থাকে এবং এ কারণে নাক বন্ধ থাকে, তাঁদের নাক পরিষ্কার করে ঘুমোতে যাওয়া উচিত। ঘুমোনোর এক-দুই ঘণ্টা আগে চা-কফি পান করবেন না। এ সময় মসলাযুক্ত খাবারও পরিহার করুন। প্রচুর পানি পান করলে নাসারন্ধ্রে লেগে থাকা আঠার মতো পদার্থগুলো দূর হবে। এতে নাক ডাকার আশঙ্কাও কমে আসবে। এ ছাড়া প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধে দুই চা-চামচ হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন। এটা নাক ডাকা বন্ধের কার্যকর টোটকা। ঘুমানোর আগে দুধের সঙ্গে এলাচির গুঁড়ো মিশিয়েও খেতে পারেন। তবে এসব চেষ্টা করেও যদি নাক ডাকার সঙ্গে পেরে না ওঠেন, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

২৪ নিউজভিশন.কম> বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বিয়েগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রিন্স চার্লস ও প্রিন্সেস ডায়ানার বিয়ে। বিয়ে যতটা না আলোচনায় ছিল, বিয়ের পোশাকটি নিয়ে তার চেয়ে বেশি কল্পনা ছিল। প্রিন্সেস অব ওয়েলসের পোশাক বলে কথা! কঠোরভাবে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়েছিল। ডায়ানা পরার আগে গাউনটি আর কাউকে দেখানো হয়নি। গাউনটি তৈরি করেছিলেন ডিজাইনার ডেভিড ও এলিজাবেথ ইমানুয়েলস। বিয়ের অনুষ্ঠানের জায়গায় গিয়ে মাপ নিয়ে এসেছিলেন দুজন। ভয়ে ছিলেন, প্রিন্সেস যখন প্রিন্সের দিকে হেঁটে যাবেন, তখন যেন তাঁর ওড়না বা পোশাক কোথাও আটকে না যায়।
বেশ কিছু ম্যাগাজিন ও পত্রিকায় এই দুই ডিজাইনারের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল। তাঁরা শুভ্র সাদা জমকালো বিয়ের এই পোশাকটি তৈরির পেছনের রোমাঞ্চকর ঘটনা তুলে ধরেন। কাপের পর কাপ চা ও কফি খেয়ে রাত পার করেছেন কারিগরেরা। বিশ্রাম নেওয়া যাবে না, ঘুমানো যাবে না। সময়ের সঙ্গে যেন দৌড়াচ্ছিলেন সবাই। ডায়ানার বিয়ের আগে রাজপরিবারের সবচেয়ে লম্বা ওড়নার মাপ ছিল ২০ ফুট। ডায়ানার ওড়না ছিল ২৫ ফুট। ওড়না ও পোশাকের বিভিন্ন জায়গায় ছোট সিকুইন ও ১০ হাজার মুক্তা বসানো ছিল। গাউনটি ফোলানোর জন্য নিচে নেট ব্যবহার করা হয়েছিল। গাউনটি বানানোর সময় তেমন কোনো দিকনির্দেশনা ছিল না। বানানোর সময় তিন মাস সময় পেয়েছিলেন ডিজাইনাররা। তখনকার সময়ে ৯০০০ পাউন্ড খরচ হয়েছিল। পোশাকটি তৈরি করার সময় মাথায় রাখতে হয়েছিল ডায়ানার সৌন্দর্য এবং কম বয়স। তার সঙ্গে যোগ হবে ব্রিটেনের রাজপরিবারের রাজকীয়তা। সে দিকটির কথা চিন্তা করতে গেলে পোশাকটি জমকালো হতেই হবে। গলায় ফ্রিলের ব্যবহার ছিল নজরকাড়া। হাতায় ফোলানো ভাব ছিল। হাতার শেষ প্রান্তে বো টাই ছিল। সবশেষে ছিল চওড়া লেস। পোশাকটির এই দুই জায়গাতেই মূলত কাজ ছিল। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে গিয়েছিল ডায়ানার চেহারার স্নিগ্ধতা।
ডায়ানার জন্য দ্বিতীয় আরেকটি গাউন বানানো হয়েছিল। প্রথমটি যদি কোনো কারণে আগেই প্রকাশিত হয়ে যায়, তাহলে দ্বিতীয় পোশাকটি পরবে প্রিন্সেস অব ওয়েলস। তবে দ্বিতীয় পোশাকটি বিয়ের সময় পর্যন্ত পুরোপুরি তৈরি করা যায়নি। পরবর্তী সময়ে পোশাকটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিয়ের সময় চিন্তায় চিন্তায় শুকিয়ে গিয়েছিলেন বেশ। ২৭ ইঞ্চির কোমর ২৩ ইঞ্চি হয়ে গিয়েছিল। এ কথা চিন্তা করে আগে থেকেই দুই ডিজাইনার সুই সুতা নিয়ে তৈরি হয়ে ছিলেন। বিয়ের দিনেও পোশাকটি চাপাতে হয়েছিল।
ডায়ানা মারা যাওয়ার পর তাঁর ভাই আর্ল স্পেনসারের অধিকারে ছিল বিয়ের গাউনটি। যুক্তরাষ্ট্রের ওহিয়ো রাজ্যের সিনসিনাটি জাদুঘর সেন্টারে ডায়ানা: এ সেলিব্রেশন নামক প্রদর্শনীতে ডায়ানার অনেক পোশাকের মধ্যে এই গাউনটিও তুলে ধরা হয়েছিল। ডায়ানার ইচ্ছে অনুযায়ী, ২০১৪ সালে প্রিন্স হ্যারি যখন ৩০ বছরে পা দেন, আর্ল স্পেনসার বিয়ের পোশাকটি প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারিকে ফেরত দেন। এর আগে ১৯৯৮ সাল থেকে স্পেনসার পরিবারের আলথর্প স্টেটে ডায়ানার ১৫০টি ব্যক্তিগত জিনিসের মধ্যে এই পোশাকটিও বছরে দুই মাস প্রদর্শিত হতো।

২৪ নিউজভিশন.কম>

পৃথিবীতে মানুষ না থাকলে কি হবে? এর উত্তর- পৃথিবীর কিচ্ছু হবে না। পৃথিবীর প্রাণী বৈচিত্র যেমন আছে তেমনই থাকবে। কিন্তু আমরা যাদের ‘উপদ্রব’ বলে মনে করি সেই পোকামাকড় না থাকলে কি হত সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন প্রাণী গবেষকরা। তারা বলেছেন, পোকামাকড় না থাকলে সৃষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যেত। ফলে ধীরে ধীরে বাতিল গ্রহে পরিণত হয়ে যেত পৃথিবী।
পোকামাকড়দের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বই লিখেছেন প্রাণী গবেষক ডেভিড ম্যাকনিল। তিনি বলেছেন, আমাদের প্রতি মানুষের বিপরীতে প্রায় ১৪০ কোটি পোকামাকড় আছে পৃথিবীতে। এরা আমাদের প্রকৃতি পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতির পেছনে বিরাট ভূমিকা পালন করে। পোকামাকড় না থাকলে পৃথিবী অসংখ্য রোগজীবানুতে ভরে যেত। ফলে মানুষের পক্ষে বেচে থাকা কঠিন তো হতোই, অন্যান্য প্রাণীদেরও অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়তো।
ম্যাকনিল লিখেছেন, এই ধরনীকে বাঁচিয়ে রাখার পেছনে পোকামাকড়দের অবদান খালি চোখে দেখা যায় না। এরা কাজ করে যায় নিভৃতে। তার মতে কেবল মৌমাছিই বিশ্ব অর্থনীতিতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অবদান রাখে। ফসলের ক্ষেতে যদি পোকামাকড় হানা না দিত তবে পরাগায়ন অনেক কম হতো। কারণ বেশিরভাগ পরাগায়ন হয়ে থাকে পোকামাকড়ের মাধ্যমে। তাই  গাছে গাছে ফল ধরে। বায়ু কিংবা পানির মাধ্যমে যে পরিমাণ পরাগায়ন হয় তা পতঙ্গ পরাগায়নের তুলনায় খুব সামান্য। তাই এরা না থাকলে এখন যে ফল উত্পাদন হয় তার শত ভাগের একভাগও হতো না। ম্যাকনিলের মতে, শুধু যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে পতঙ্গরা ৫৭ বিলিয়ন ডলার অবদান রাখে।
অন্যদিকে, পৃথিবীর ৩ হাজারের বেশি নৃতাত্ত্বিক গোষ্টি ২ হাজার ৮৬ প্রজাতির পোকামাকড় খেয়ে থাকে। এছাড়া আরো অনেক দেশে সাধারণ মানুষও বাড়িতে কিংবা হোটেলে পোকামাকড় দিয়ে বানানো খাবার খেয়ে থাকে। চীন, জাপানসহ এশিয়ার অনেকে দেশে পোকামাকড় দিয়ে বানানো খাবার খুব জনপ্রিয়। আর মেক্সিকোতে অনেক প্রকারের ফড়িং ভাজা প্যাকেট করে বিক্রি হয়। আফ্রিকাতে শুয়োপোকাও ব্যাপক জনপ্রিয়। জাপানের টোকিও এবং শিনজুকুতে তিনটি রেস্টুরেন্ট আছে যেখানে অন্য কোনো খাবার পাওয়া যায় না। কেবলমাত্র পোকামাকড়ের রেসিপি চলে সেখানে। তাই পোকামাকড় না থাকলে এই রেস্টুরেন্টগুলোও পথে বসতো! লেখক ম্যাকনিল দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আধুনিক যুগে অনেক কিটনাশকের কারণে অনেক উপকারী পতঙ্গ মারা যাচ্ছে। অনেক প্রজাতির পতঙ্গ বিলুপ্তির পথে। তিনি সাবধান করে দিয়ে বলেছেন, পতঙ্গ বিলুপ্ত হলে মানুষের পক্ষেও বেঁচে থাকা সম্ভব হবে না।
সূত্রঃ ন্যাশনাল জিওগ্রাফি

২৪ নিউজভিশন.কম>
বর-বউয়ের সুন্দর বোঝাপড়া দাম্পত্যে সুখ আনে। কিন্তু এখনকার ব্যস্ত জীবনে সময়ের যেন বড় অভাব! এখনকার আধুনিক প্রযুক্তি, স্মার্টফোন, সোশ্যাল মিডিয়া অনেকের সময় কেড়ে নিচ্ছে। সম্পর্ক মধুর করতে সঙ্গীকে সময় দিতে হবে। পাশে সরিয়ে রাখতে হবে গ্যাজেটস। সঙ্গীকে বোঝাতে হবে রোমান্টিক মনের ভাবনা। জয় করে নিতে হবে সঙ্গীর মন। দুজন দুজনকে ভালোবাসেন—এ কথা দুজনই মনে মনে জানেন।
ভালোবাসা দেখানো আরেক জিনিস। সামনাসামনি সামান্য প্রশংসা বা কৃতজ্ঞতাবোধ সম্পর্ক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। দুজন-দুজনের আরও আপন হতে পারেন কয়েকটি কথায়। জেনে নিন কথাগুলো:
প্লিজ ও থ্যাংক ইউ: দুজন দুজনের নিশ্চয়ই নানা কাজে সাহায্য করেন। কখনো কি থ্যাংক ইউ বলে দেখেছেন সঙ্গীকে? অনেক সময় পাশাপাশি থেকেও গুরুত্ব দিয়ে কথা বলা হয়ে ওঠে না। কথার সঙ্গে ‘প্লিজ’ জুড়ে দিলে সঙ্গীর কাছে সে কথা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। প্লিজের সঙ্গে যদি সঙ্গীকে একটা ‘থ্যাংক ইউ’ যোগ হয়, সম্পর্ক আরও মধুর হবে নিঃসন্দেহে।
গুরুত্ব দিয়ে কথা শুনুন: যখন দুজন কথা বলবেন বা কোনো বিষয়ে আলাপ করবেন, গুরুত্ব দিয়ে সঙ্গীর কথা শুনুন। হাতে ফোন বা অন্য কিছু থাকলে সরিয়ে রাখুন। সঙ্গীর জন্য আপনার মনোযোগ হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ এক উপহার। সঙ্গী নিশ্চয় অনুভব করবে আপনার গুরুত্বের বিষয়টি। দুজন দুজনকে যখন গুরুত্ব দেন, সম্পর্কের মধ্যে কি ফাঁকফোকর থাকবে?
একটু আলিঙ্গন: সব সময় ফুল উপহার দিয়ে সঙ্গীর মন জোগাতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। অনেক সময় খুব সাধারণ এক স্পর্শ কিংবা আলিঙ্গন হতে পারে বড় উপহার। সঙ্গীর জন্য আপনার অনুভূতির সবকিছুই না বলা সামান্য এক আলিঙ্গনে বলা হয়ে যেতে পারে। সম্পর্কের মধ্যে কোনো দূরত্ব থাকলে নিমেষেই তা উধাও হয়ে যেতে পারে। দুজন-দুজনের যখন এত কাছাকাছি, তখন কি আর ভালোবাসা বাড়বে না?

বিবেচনাবোধ:
একটু বিবেচনাবোধ সম্পর্ককে আরও মধুর করে তুলতে পারে। একজন ফোনে কথা বলছে তো টিভির শব্দ একটু কমিয়ে দেওয়া, একজন বাজার করে ফিরল তো একটু সাহায্য করার মতো সংসারের টুকিটাকি কাজে সাহায্য করতে পারেন। টুকটাক সাহায্য করতে গিয়েই দেখবেন মধুর সম্পর্ক ধীরে ধীরে মধুরতম হয়ে যাচ্ছে। যখন কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেবেন বিশেষ করে কেনাকাটা, কোথাও গিয়ে খাবার পছন্দ করার মতো বিষয়গুলোতে সঙ্গীর পছন্দকে গুরুত্ব দিন। সব সময় সঙ্গীর জন্য সেরাটা করতে চাইলেও সেটা তার ওপর কতটা প্রভাব ফেলছে সে বিষয়ে খেয়াল রাখুন।

২৪ নিউজভিশন.কম> সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাইতে এখন প্রচণ্ড গরম। তাপমাত্রা প্রায় ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই গরমে রোদের তাপে চুলা ছাড়াই ডিম পোচ করে ফেললেন এক ব্যক্তি।

জীবনযাপন-বিষয়ক জনপ্রিয় অ্যারাবিক টিভি চ্যানেল ফাটাফিট সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। তাতে দেখা যায়, এক বাবুর্চি রোদে উত্তপ্ত রাস্তার ওপর কড়াই রাখেন। আর প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যেই ভেজে ফেলেন ডিমের সুস্বাদু পোচ।

ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ভিডিওতে এভাবে ডিম রান্নার প্রণালির ধারাভাষ্যও দেন ওই বাবুর্চি। শুরুতেই তিনি বলেন, ‘বাইরে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রির কাছাকাছি। এই রোদের তাপে আমরা আজ ডিম রান্না করতে যাচ্ছি।’

রোদে উত্তপ্ত ফুটপাতের ওপর তিনি কালো রঙের একটি কড়াই রাখেন। ১০ মিনিট কড়াইটি রেখে দেওয়া হয়। এরপর কড়াইতে তেল দেন। তেল গরম হয়ে শব্দ করতে শুরু করে। তাতে ডিম ভেঙে দেন। এর মধ্যে লবণ ও মরিচ দেন। কিছুক্ষণ পরেই ডিমটি ঠিকভাবে পোচ হয়ে যায়। বাবুর্চি বলেন, এভাবেই দুবাইতে রান্না করা যায়।
২৪ ঘণ্টায় ইনস্টাগ্রামে এই ভিডিও দেখা হয়েছে ৩০ হাজারবার। এই ভিডিও যারা দেখেছেন, তাঁদের অনেকেই মজা পেয়েছেন। অনেকে আবার বিস্মিত হয়েছেন।

ইনস্টাগ্রামের ভিডিও দেখে এক মন্তব্যকারী বলেন, ‘ইউএইতে থাকলে কার আর চুলা দরকার?’ আরেকজন মজা করে মন্তব্য করেছেন, ‘গরমের সঠিক ব্যবহার।’
দেশটির জাতীয় আবহাওয়া এবং ভূকম্পবিদ্যা কেন্দ্রর তথ্য অনুসারে ডিম ভাজার ভিডিওটি যখন রেকর্ড করা হয়, তখন বাইরে তাপমাত্রা ছিল ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এ বছরের শুরুতে ভারতের ওডিশা রাজ্যের তিতলাগড়ে রোদের তাপে ডিম ভেজেছিলেন এক ব্যক্তি। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া ফেলে।

২৪ নিউজভিশন.কম>
ফ্যাশন দুনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আলাদা একটা পরিচিতি রযেছে। ইতালির জি-৭ এর এক অনুষ্ঠানে গত শুক্রবার মেলানিয়া ডলসে অ্যান্ড গাব্বানার নকশা করা অসাধারণ একটি কোট পরেছিলেন। পোশাক দেখে সবার মাথা ঘুরে গেছে। দামের কারণে এই পোশাক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে চলছে নানা মন্তব্য।

ডলসে ও গাব্বানার তৈরি ফুলের কাজ করা মেলানিয়া ট্রাম্পের থ্রি-ডি এই কোটের দাম ৫১ হাজার ৫০০ ডলার। ইতালির কাতানিয়ায় ওই কোট পরে এক প্রাসাদের বাইরে গাড়ি থেকে নামেন তিনি। এই কোটটিতে বিভিন্ন রঙের থ্রি-ডি ফুলের সমাহার রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম বিদেশ সফরের শেষ দিন ইতালিতে জি-সেভেন সামিটে মেলানিয়া সিল্কের এই কোট পরেন।
মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মার্কিনিদের গড় পারিবারিক আয় সাড়ে ৫১ হাজার ডলার। এখন প্রশ্ন হলো, মেলানিয়ার কোটের দাম কতজনের আয়? উত্তরটা হলো, এই কোটের যে দাম, তা অনেকের পুরো বছরের বেতনের প্রায় সমান।
অনলাইনে ওই কোটের আগাম ফরমাশের জন্য প্রয়োজন ছিল ২৫ হাজার ৭৫০ ডলার। প্রায় ৬৫ শতাংশ মার্কিনি বছরে যা আয় করেন, মেলানিয়ার ওই কোটের দাম তাদের আয়ের সমান।

যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প


মার্কিন পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, মেলানিয়ার এই জ্যাকেটের যে দাম, তা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্ত মানুষের বার্ষিক আয়ের চেয়ে সামান্য কম। যুক্তরাষ্ট্রে ৫১ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার আয় করা ব্যক্তি ৬৫ শতাংশ। মধ্যম আয়ের ব্যক্তিদের বছরে আয় ৫৩ হাজার ৮৮৯ ডলার।

গত শুক্রবার (২৭ মে) ডলসে অ্যান্ড গাব্বানার স্টেফানো গাব্বানা মেলানিয়া ট্রাম্পের কোর্টের ছবি পোস্ট করেছেন ইনস্টাগ্রামে। সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে ‘ধন্যবাদ’ জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি।
মেলানিয়া প্রথম যখন হোয়াইট হাউসে যান, তখনো ডলসে গাব্বানার নকশা করা পোশাককে বেছে নিয়েছিলেন। তথ্যসূত্র: বিজনেস ইনসাইডার

২৪ নিউজভিশন.কম>
চোখ দুটো একটু বিষণ্ন? নাকি ক্লান্ত? চোখের নিচের কালচে ভাব চেহারার সতেজতা কেড়ে নেয় অনেকটাই। এগুলো ‘ডার্ক সার্কেল’ হিসেবে বেশি পরিচিত। এই কালচে ভাবটুকুর জন্য চোখ দুটোকে ক্লান্ত লাগে। কম ঘুম, মানসিক চাপ, বয়স—অনেক কিছুই এর কারণ বলতে পারেন। তবে শুরু থেকে একটু যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। একেবারে দূর না হলেও নিয়মিত পরিচর্যায় দাগ কিছুটা হালকা হয়ে আসবে।
ঠান্ডা শসা
শসার মধ্যে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে। চোখের ফোলা ভাব দূর করতে সহায়তা করবে। প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা হওয়ায় চোখের আরামও পাওয়া যায়। প্রতিদিন পাঁচ মিনিটের জন্য শসা কেটে চোখের ওপর দিয়ে রাখুন। উপকার পাবেন।
ঠান্ডা চায়ের ব্যাগ
চা ব্যাগের মধ্যে ক্যাফেইনের উপস্থিতি রক্ত-শিরাকে সংকুচিত করে ফেলে এবং তরল-জাতীয় উপাদানের ধারণক্ষমতাকে কমিয়ে আনে। এতে চোখকে অনেকটাই উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত দেখায়। ঠান্ডা টি-ব্যাগ ত্বকের টিস্যুকে সংকুচিত করে ফেলায় চোখের ফোলা ভাবও কমে যায়। দুটো ব্যাগকে পানিতে ভিজিয়ে চায়ের ব্যাগকে ১০ মিনিটের জন্য ফ্রিজের ভেতর রেখে দিন। এরপর চোখের ওপর ৫-১০ মিনিটের জন্য দিয়ে রাখুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন। দিনে দু-তিনবার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
ময়েশ্চারাইজ করুন
অনেক সময় ত্বক শুষ্ক থাকলে কালচে ছোপের মতো লাগে দেখতে। ত্বককে নিয়মিত ময়েশ্চার করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। এ ছাড়া বাদাম তেল দিয়ে ত্বক মালিশ করতে পারেন। ত্বক আর্দ্র থাকলে চোখ দুটোকে দেখতে ভরাট লাগে।
সূত্র: ফেমিনা

বুড়িয়ে যাচ্ছি—এই ভাবনাটা প্রায়ই আমাদের ভাবায়। অনেক সময় দেখা যায়, অনেকে খুব নিয়ম মেনে চলার পরও নিজের বুড়িয়ে যাওয়া ভাবটা কমাতে পারেন না। মূলত এর পেছনে দৈনন্দিন জীবনে কিছু সূক্ষ্ম অভ্যাস আমাদের ‘বুড়িয়ে যাওয়া’র মূল কারণ হিসেবে কাজ করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক মনের অজান্তে কোন অভ্যাসগুলো জলদি শরীর ও মনের বয়স বাড়িয়ে দিচ্ছে। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক মেখলা সরকার বলেন, মন যদি ভালো থাকে, তাহলে বয়স কখনোই বাড়বে না।

কম ঘুম
প্রত্যেকেরই পরিমিত পরিমাণ ঘুমের প্রয়োজন। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন সাত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। কিন্তু অনেক সময় সাত ঘণ্টা ঘুমানো সম্ভব হয় না। তবে একটানা ঘুমের অভাব হলে তা শরীরে বাড়তি চাপ ফেলে। শুধু তা-ই নয়, আমরা অনেক সময় অনেক চিন্তাগ্রস্ত থাকি। বয়স অনুযায়ী আমাদের অতিরিক্ত মানসিক চাপও আমাদের চেহারায় দ্রুত বয়সের ছাপ ফেলে দেয়। তাই নিজেকে ভালো রাখতে এবং অবশ্যই অল্প বয়সে বুড়িয়ে না যাওয়ার জন্য কিছু চাপ এড়িয়ে চলাই ভালো।

অতিরিক্ত বসে থাকা
আমাদের অনেকেরই ঘণ্টার পর ঘণ্টা টেলিভিশন দেখার অভ্যাস আছে কিংবা কাজ করতে হচ্ছে সারা দিন বসে বসে। এটিও শরীরের জন্য খারাপ। একটানা অনেকক্ষণ বসে থাকা শরীরের বিভিন্ন অংশ যেমন আমাদের মেরুদণ্ডে ব্যথা, কোমরব্যথা, এমনকি পেটের মেদ বাড়াতেও সাহায্য করে। এড়িয়ে চলুন অতিরিক্ত বসে থাকা। সুযোগ পেলে কাজের ফাঁকে উঠে একটু হাঁটাহাঁটি করা বা একদমই সুযোগ না পেলে বসে ব্যায়াম করতে হবে। এতে দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা খানিকটা কমবে।

এক পাশ ফিরে ঘুমানো
আমরা অধিকাংশই এক পাশ ফিরিয়ে ঘুমোতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কিন্তু এ অভ্যাস শরীরের ভারসাম্য সমানভাবে রাখতে দেয় না। শুধু তা-ই নয়, অনেক সময় আমাদের পেশি পুলেরও সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো উপায়ে ঘুমানোর জন্য পুরো পিঠের ওপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে শোয়াকে উত্তম পন্থা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। একইভাবে সঠিকভাবে বসার ব্যাপারেও রয়েছে নির্দেশনা। অনেকেই বসে কাজ করার সময় খানিকটা আরামের জন্য কুঁজো হয়ে বসেন কিংবা একটু হেলে বসেন; এটিও শরীরের বুড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।

কম চর্বি ডায়েট
নিজেকে ঝরঝরে রাখার জন্য কম চর্বির খাবার খেতে কতই না দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কিন্তু অনেক সময় এই চর্বি বাদ করতে গিয়ে আমরা মনের অজান্তেই আমাদের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডকেও ছাঁটাই করে দিই। আমাদের মুখের বলিরেখা ও লাবণ্য ধরে রাখতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড খুবই প্রয়োজনীয় উপকরণ। কিন্তু শরীরকে ঝরঝরে রাখতে গিয়ে হারিয়ে ফেলছি নিজের স্বাভাবিক সৌন্দর্য।

নো সুগার ডায়েট
অনেকে ভাবেন, চিনি না খেলেই অনেক চর্বি এড়িয়ে চলা সম্ভব। কিন্তু এখানেও খানিকটা ভুল ভাবনায় নিজেদের আটকে ফেলেছি। পরিমিত পরিমাণে চিনিও শরীরের জন্য দরকারি। একেবারে বাদ দিয়ে দিলে অনেক ক্ষেত্রে তা উল্টো ফল দিতে পারে।

স্ট্র বাদ দিন
আমরা প্রত্যেকেই কমবেশি কোমল পানীয় পান করে থাকি। আবশ্যিকভাবে স্ট্র বাদ দিয়ে তা পান করা অনেক ক্ষেত্রেই অসম্ভব হয়ে পড়ে। কিন্তু দীর্ঘদিন স্ট্র ব্যবহারের ফলে আমাদের লিপ লাইনে ধীরে ধীরে রিংকেল পড়তে শুরু করে। তাই স্ট্র বাদ দিয়ে সরাসরি গ্লাস কিংবা ওয়ান টাইম গ্লাস ব্যবহার করা ভালো। অপর দিকে যাঁরা খুব একটা কোমল পানীয়ের নেশায় নেই কিন্তু সিগারেটের নেশায় আছেন, তাঁদের জন্যও আছে সতর্কবাণী। কেননা, আপনি যখন সিগারেটের ধোঁয়া নিচ্ছেন, তখন একইভাবে আপনারও স্ট্র ব্যবহার করা ব্যক্তির মতো লিপ লাইন রিংকেল পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

রোদ থেকে এড়ানো সব সময়
খুব বেশি রোদ না হলে আমরা রোদ এড়িয়ে চলি কিন্তু এটিও ঠিক নয়। সব সময়ই রোদের তাপ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। কেননা, রোদে পোড়া চামড়া চেহারায় আলাদা ভারিক্কিও তৈরি করে। একইভাবে অতিরিক্ত শুষ্ক পরিবেশও আপনার ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এটি আপনার চামড়ার স্বাভাবিক আর্দ্রতা কেড়ে নিয়ে আপনার শরীরের চামড়া আরও শুষ্ক করে তোলে। শুষ্ক ত্বকে তৈলাক্ত ত্বকের চেয়ে দ্রুত বলিরেখা পড়ে। তাই চেষ্টা করুন স্বাভাবিক ও ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশে থাকার।

Select Language