বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২০ | ১১:৩৪
১৩ কার্তিক, ১৪২৭ | ১১ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২
আনন্দ ভুবন

আনন্দ ভুবন ডেস্ক> অবশেষে চারহাত এক করে ফেললেন নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি ও অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় সৃজিতের দক্ষিণ কলকাতার লেক গার্ডেনসের বাড়িতে স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্টে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়েতে দুই পরিবারের লোকজন এবং কিছু বন্ধুবান্ধব উপস্থিত ছিলেন।
বিয়ের সময় সৃজিতের পরনে ছিল পাজামা, পাঞ্জাবি ও জহরকোট। আর মিথিলার পরনে লাল জামদানি।
বিয়েতে মিথিলার বাবা-মা ও মেয়ে আয়রাসহ পরিবারের অন্য সদস্য এবং সৃজিতের মা ও বোন ছাড়াও টালিউড তারকা রুদ্রনীল, শ্রীজাত, ইন্দ্রদীপ, যিশু, নীলাঞ্জনা, অনুপম, পিয়া উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। রেজিস্ট্রি ম্যারেজের পর টালিউডের অতিথিদের নিয়ে বিশেষ পার্টি হবে। জানা গেছে, মিথিলার পরিবার দুই কেজি ওজনের চারটি ইলিশ নিয়ে গেছেন সৃজিতের জন্য।

মিথিলা জানিয়েছেন, শনিবার মধুচন্দ্রিমায় তারা সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন। সেখানে মধুচন্দ্রিমার পাশাপাশি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মিথিলা পিএইচডির রেজিস্ট্রেশন করবেন। সব মিলিয়ে সুইজারল্যান্ডে এক সপ্তাহ থাকবেন তারা।
গত সেপ্টেম্বরে একটি ঘরোয়া পার্টিতে সৃজিত ও মিথিলাকে প্রথম একসঙ্গে দেখা যায়। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর সৃজিতের জন্মদিনের বিশেষ ছবিতেও পাওয়া যায় মিথিলাকে। সর্বশেষ তাদের দুজনকে ঢাকায় আর্মি স্টেডিয়ামে ফোকফেস্টে দেখা যায়।
এর আগে বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসানের সঙ্গে মিথিলার বিয়ে হয় ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট। তাদের বিচ্ছেদ হয় ২০১৭ সালের জুলাইয়ে।

আনন্দ ভুবন ডেস্ক> বঙ্গবন্ধু বিপিএলের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ প্রায় প্রস্তুত। দুদিন পর এ মঞ্চ কাঁপাতে আসছেন ভারতের সালমান খান, ক্যাটরিনা কাইফ, সনু নিগম, কৈলাস খের; বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে থাকছেন জেমস ও মমতাজ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের টিকিটের দাম ও প্রাপ্তিস্থান জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মঞ্চের সামনে মিরপুর শের-এ বাংলা স্টেডিয়ামের মাঠে বসে সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফের অনুষ্ঠান দেখতে হলে কিনতে হবে ১০ হাজার টাকার টিকিট। গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে বসে দেখতে হলে নিতে হবে ২ হাজার ৫০০ টাকার টিকিট। সবচেয়ে ‘সুলভ’ ক্লাব হাউসের টিকিটের দাম ১ হাজার টাকা। আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মাঠে কিংবা গ্যালারিতে বসে এই অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ পাবেন মাত্র ৮ হাজার দর্শক। এর মধ্যে সৌজন্য টিকিট থাকছে ৩ হাজার। প্রায় ২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মাত্র ৫ হাজার দর্শকের জন্য টিকিট ছাড়ছে বিসিবি।
বিপুলসংখ্যক দর্শকদের জন্য সরাসরি অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ না রাখার ব্যাখ্যায় দুদিন আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান বলেছেন, ‘মঞ্চের পেছনে দিতে পারছি না, পাশেও দিতে পারছি না। আগে যে ধারণা ছিল, সেটা অনেক কমে গেছে। পিচ নষ্ট হতে পারে বা মাঠ নষ্ট হতে পারে, এমন ঝুঁকি নিতে পারব না।’
আগামী রোববারের জমকালো এই অনুষ্ঠানের টিকিট ছাড়া হচ্ছে শুক্রবার থেকে। টিকিটি সরাসরি কেনা যাবে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে। পাওয়া যাবে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ১ নম্বর গেট ও সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামের বুথ থেকে।
অনুষ্ঠান উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। গেট খোলা হবে বেলা আড়াইটায়। অনুষ্ঠান শুরু বিকেল সাড়ে চারটায়।
বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করবে গাজী টিভি, মাছরাঙা টিভি ও নিউজ টুয়েন্টিফোর।

আনন্দ ভুবন ডেস্ক> ফিল্মফেয়ার গ্ল্যামার অ্যান্ড স্টাইল অ্যাওয়ার্ডের চোখ ধাঁধালেন বলিউডের তারকারা। রেড কার্পেটে দুরন্ত সাজে ধরা দিলেন দীপিকা পাড়ুকোন, আলিয়া ভাট, আনুশকা শর্মা থেকে শুরু করে বরুণ ধাওয়ান, সাইফ আলি খান ও আয়ুষ্মান খুরানাসহ বহু তারকা। এ অনুষ্ঠানে বেশিরভাগ বলিউড তারকা উপস্থিত থেকে নিজেদের মধ্যে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।
যে বিজয়ীরা ঘরে নিয়ে গেলেন পুরস্কার:
রিস্ক টেকার অব দ্য ইয়ার – রাজকুমার রাও
ইমার্জিং ফেস অব ফ্যাশন – অনন্যা পাণ্ডে
ওম্যান অব স্টাইল অ্যান্ড সাবস্ট্যান্স – দিয়া মির্জা
ফিট অ্যান্ড ফ্যাবুলাস – কৃতী শ্যানন
হটস্টেপার অব দ্য ইয়ার (মহিলা) – কিয়ারা আডবানি
এজেস অ্যাহেড হটস্টেপার অব দ্য ইয়ার (পুরুষ) – কার্তিক আরিয়ান
দ্য স্পেশালিষ্ট – মনীশ মালহোত্রা
ডিভা অব দ্য ইয়ার – মালাইকা অরোরা
ট্রেইলব্লেজার অব ফ্যাশন – করণ জোহর
মোস্ট স্টাইলিস্ট স্টার (মহিলা) – আলিয়া ভাট
মোস্ট স্টাইলিস্ট স্টার (পুরুষ) – আয়ুষ্মান খুরানা
স্টাইল আইকন – সাইফ আলি খান
মোস্ট গ্ল্যামারাস স্টার (মহিলা) – আনুশকা শর্মা
মোস্ট গ্ল্যামারাস স্টার (পুরুষ) – বরুণ ধাওয়ান (সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আনন্দ ভুবন ডেস্ক> এন্ড্রু কিশোর এখন ক্যানসারে আক্রান্ত। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন। ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা চালানোর জন্য গত অক্টোবর মাসের শেষ দিকে নিজের একটি ফ্ল্যাট বিক্রি করেছেন। দেশের জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর তাঁর ক্যানসার ধরার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, চিকিৎসার জন্য তিনি কারও কাছ হাত পাতবেন না। তাই রাজশাহী শহরে ভদ্রা আবাসিক এলাকায় পাঁচ বছর আগে কেনা ফ্ল্যাটটি ৩০ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন। যিনি কিনেছেন, তাঁর কাছ থেকে আরও পাঁচ লাখ টাকা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
জানা গেছে, গত কয়েক বছর যাবৎ এন্ড্রু কিশোর প্রায় প্রতি মাসেই রাজশাহীতে যাওয়া–আসা করেছেন। রাজশাহীতে গিয়ে যেন তাঁর থাকার সমস্যা না হয়, সে কারণেই তিনি অনেক কষ্ট করে ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন। কিন্তু নিজের চিকিৎসার খরচ জোগানোর জন্য শেষ পর্যন্ত তাঁকে সেই ফ্ল্যাট বিক্রি করতে হয়েছে।
২০১২ সালে নিজের ওস্তাদের নামে রাজশাহীতে আব্দুল আজিজ বাচ্চু স্মৃতি সংসদ গড়ে তোলেন এন্ড্রু কিশোর। এই সংগঠন থেকে নিয়মিত ত্রৈমাসিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হতো। এসব অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন রাজশাহী ও এর আশপাশের এলাকার শিল্পীরা। প্রতিটি অনুষ্ঠানেই উপস্থিত থাকতেন এন্ড্রু কিশোর। সংগঠনটি দুস্থ ও অসহায় শিল্পীদের নানাভাবে সহায়তা করেছে। এ ছাড়া সংগঠনটি নিয়ে এন্ড্রু কিশোর নানা সামাজিক কার্যক্রমেও অংশ নিয়েছেন। গত বছর বন্যায় নিজে প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে ত্রাণ বিতরণ করেছেন। এই সংগঠনের কার্যক্রম সচল রাখার জন্য তিনি নিয়মিত রাজশাহী যাওয়া–আসা করতেন।
এন্ড্রু কিশোরের এখন একমাত্র সম্বল মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের সেনপাড়া এলাকার একটি ফ্ল্যাট। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এ ছাড়া তাঁর আর কোনো সম্পদ নেই।
এরই মধ্যে এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসা বাবদ এক কোটি টাকার বেশি খরচ হয়েছে। সোমবার (২ ডিসেম্বর) জানা গেছে, দেশের বরেণ্য এই সংগীতশিল্পী চিকিৎসায় সহায়তার জন্য অনেকেই পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁদের কাছ থেকে এ পর্যন্ত ৫০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে।
সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে এরই মধ্যে এন্ড্রু কিশোরকে কেমোথেরাপি দেওয়া শুরু হয়েছে। গত ২৪ নভেম্বর তিনি প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, এ পর্যায়ের চিকিৎসার জন্য আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে সেখানে থাকতে হবে। ২৬ নভেম্বর থেকে কেমোথেরাপির পরবর্তী সাইকেল শুরু হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ৩টি সাইকেলে আরও ১২টি কেমোথেরাপি দেওয়া হবে। তাঁর এই চিকিৎসা সম্পন্ন করার জন্য আরও ২ কোটি ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন।
এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসার জন্য তহবিল গঠনের আবেদন করেছেন তাঁর স্ত্রী লিপিকা এন্ড্রু। ‘গো ফান্ড মি’ নামের ওয়েবসাইটে এটি করা হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসা বোর্ডের কাগজপত্র নিয়ে সিঙ্গাপুরপ্রবাসী বাংলাদেশিরা এই অনলাইন ফান্ডিংয়ের পেজ চালু করেছেন।
এন্ড্রু কিশোর বললেন, ‘এমনটি আমি চাইনি। বাধ্য হয়ে এটি খুলতে হয়েছে। আর পারছি না।’
এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহের সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন মোমিন বিশ্বাস। তিনি সরকারসহ দেশের চলচ্চিত্র, সংগীত, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন অঙ্গনের লোকজনকে এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসার সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন।

আনন্দ ভুবন ডেস্ক> বিপিএলের জাঁকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফল করতে ব্যস্ততার শেষ নেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে তৈরি হচ্ছে বিশাল মঞ্চ। সম্প্রচারের দায়িত্বে থাকা গাজী টিভিতে এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে প্রচারণা। বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসছেন বলিউডের জনপ্রিয় দুই তারকা সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ।
বিসিবি আগেই জানিয়েছে, এবার বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জৌলুশের কমতি থাকবে না। জৌলুশ বাড়াতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন আয়োজকেরা। ৮ ডিসেম্বর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এ প্রসঙ্গে সোমবার (২ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দীন চৌধুরী বলেছেন, ‘নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে চাচ্ছি না। এটা বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল চূড়ান্ত করবে। অনেক শিল্পীর সঙ্গে কথা হয়েছে, চূড়ান্তও হয়েছে।’
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শেখ সোহেল অবশ্য নিশ্চিত করেছেন, বলিউড তারকা সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ আসছেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। ভারতীয় তারকা শিল্পীদের মধ্যে আরও থাকছেন সনু নিগম ও কৈলাস খের। বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে আছেন জেমস ও মমতাজ। জমকালো এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১৫ সালে বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসেছিলেন হৃতিক রোশন ও জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। চার বছরের বিরতিতে আবারও বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ আলোকিত করবেন বলিউড তারকারা। শেখ সোহেল বলেছেন, ‘জাঁকালো আয়োজনে ভালো একটা আলোড়ন তৈরি করতে চাই। সালমান খান আর ক্যাটরিনা কাইফ যদি থাকেন, আর কিছু রাখার দরকার আছে? আমাদের সব মনোযোগ এখন ৮ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠানে। সালমান-ক্যাটরিনা একসঙ্গে কমই অনুষ্ঠান করেন। দুই বড় তারকাকে আমরা এক জায়গায় করতে চাচ্ছি, আশা করি অনুষ্ঠানটা অন্য রকম হবে।’
বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল পাঁচটায়। আর ব্যাটে-বলের লড়াই শুরু হবে ১১ ডিসেম্বর।

আনন্দ ভুবন ডেস্ক> বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘মিশন এক্সট্রিম’। শনিবার (৩০ নভেম্বর) প্রকাশ করা হলো এর প্রথম অফিসিয়াল পোস্টার।
এ উপলক্ষে সন্ধ্যায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) ৭ নম্বর ফ্লোরে আয়োজন করা হয় ‘মিট দ্য প্রেস’- এর। এতে সিনেমাটির কলাকুশলীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ করা হয় পোস্টার এবং ঘোষণা দেয়া হয় আগামী বছরে ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাবে ‘মিশন এক্সট্রিম’।
বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মনিরুল ইসলাম। এছাড়া ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা, সিনেমাটির পরিচালক, প্রযোজক, অভিনয়শিল্পীসহ কলাকুশলী উপস্থিত ছিলেন।
চলতি বছরের ২০ মার্চ ঢাকায় ‘মিশন এক্সট্রিম’র শুটিং শুরু হয়। বাংলাদেশ ও দুবাই মিলেয়ে দুই পর্বে সিনেমাটি শুটিং হয়েছে। শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে শুটিং পর্ব। শুরু থেকে আলোচনায় থাকা ‘মিশন এক্সট্রিম’র কোনো দৃশ্য বা ছবি এখন পর্যন্ত প্রকাশ পায়নি। তাই ফার্স্ট লুক পোস্টারটি দর্শকদের মধ্যে ভিন্নরকম উন্মাদনা সৃষ্টি করবে বলে মনে করেন সিনেমাটির নির্মাতারা।
‘কপ ক্রিয়েশন’র ব্যানারে নির্মিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় পুলিশ অ্যাকশন থ্রিলার ‘মিশন এক্সট্রিম’। ক্রাইম, থ্রিল, সাসপেন্স এবং অ্যাকশন নির্ভর একটি মৌলিক গল্পের ওপর ভিত্তি করে সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে বলে জানান নির্মাতা।
সিনেমাটিতে আরিফিন শুভর সঙ্গে প্রথমবার জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন- তাসকিন রহমান, সাদিয়া নাবিলা, সুমিত সেনগুপ্ত, শতাব্দী ওয়াদুদ, মাজনুন মিজান, ইরেশ জাকের, মনোজ প্রামাণিক, আরেফ সৈয়দ, রাশেদ মামুন অপু, এহসানুল রহমান, দীপু ইমামসহ অনেকে।
‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমাটি পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ‘সিটিটিসি’র কিছু শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন সানী সানোয়ার নিজেই।
সিনেমাটি যৌথভাবে পরিচালনা করছেন ফয়সাল আহমেদ এবং সানী সানোয়ার। ফয়সাল আহমেদ ‘ঢাকা অ্যাটাক’ সিনেমার জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক হিসেবে সিনেমাটি নির্মাণে অসামান্য অবদান রেখেছেন।
এর আগে ২০১৭ সালে সানী সানোয়ারের গল্পে ‘ঢাকা অ্যাটাক’ সিনেমাটি নির্মিত হয়েছিল। সিনেমাটি চারটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছে।

আনন্দ ভুবন ডেস্ক> বলিউডের রোমান্টিক জুটিগুলোর মধ্যে একটি হলো সাইফ-কারিনা জুটি। হারহামেশাই নতুন নতুন তথ্য নিয়ে সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হন তারা। এবার সাইফ আলী খানের গোপন তথ্য ফাঁস করে আলোচনায় এলেন এ জুটি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের প্রতিবেদন বলছে, ২০১২ থেকে প্রেমপর্ব শুরু হলেও চারহাত এক হয় ২০১৫তে। আর এখনও তারা রোমান্সে ভরপুর। কিন্তু কারিনা জানালেন এক গোপন তথ্য। যা শুনলে আপনারও চোখ কপালে উঠবে। আর তা হলো সাইফকে বিয়ে করতে বিন্দুমাত্র রাজি ছিলেন না এ অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক টক শোতে এ তথ্য ফাঁস করেন তিনি।
এমনকী দুবার সাইফের প্রেমের প্রস্তাবও তিনি ফিরিয়ে দেন। তিনি জানান, তাসান এর সেটে তাকে প্রথমবার বিয়ের প্রস্তাব দেন সইফ। ওইটা ছিল গ্রিসে। এরপর লাদাখেও সাইফ আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তখন সরাসরি না বললেও ইতিবাচক কোনও উত্তর দেননি।
কারিনা এও জানান, বিয়ে নামক সম্পর্কে তিনি জড়াতে চান না। এরপরই সাইফকে আসতে আসতে চিনতে শুরু করেন তিনি। তারপর অবশ্য তৃতীয়বার হ্যাঁ বলতে বেশি সময় নেন নি তিনি। ততদিনে তারও মনে ধরেছে সাইফকে। এরপর তাদের স্বপ্নের উড়ান শুরু। তবে বিয়ের আগে সাইফকে একটাই মাত্র শর্ত দিয়েছিলেন কারিনা। সেই শর্ত হল-সাইফ যেন কোনওদিনই তার ক্যারিয়ারে বাধা না হয়ে দাঁড়ান। বিয়ের আগে এই কথাটাই বারবার ঝালিয়ে নিয়েছিলেন বেগম সাহেবা। কথা রেখেছেন ছোট নবাব। তাইতো এখন তৈমুর থেকে সংসার পুরোটাই বেশ দক্ষতার হাতে সামলাচ্ছেন তিনি।

আনন্দ ভুবন ডেস্ক> অসুস্থ্য হয়ে আবারও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান। সংবাদমাধ্যমে হাসপাতালে ভর্তির খবরটি নিশ্চিত করেছেন এটি এম শামসুজ্জামানের স্ত্রী রুনি জামান।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রুনি জামান বলেন, ‘দুদিন ধরেই উনার (এ টি এম শামসুজ্জামান) অবস্থা ভাল নেই। গ্যাসট্রিকের ঝামেলা ছাড়াও টয়লেটে বেশি সমস্যা হচ্ছিলো। অবস্থা বেগতিক দেখে সোমবার দুপুরে আবারও তাকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এখন এখানেই তার চিকিৎসা চলছে।’
এর আগে ২৯ আগস্ট চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছিলেন এ টি এম শামসুজ্জামান। হাসপাতাল ছাড়ার তিনমাস পর আবারও হাসপাতালে ভর্তি হতে হলো তাকে।
চিকিৎসকের বরাতে রুনি জামান আরো বলেন, সর্বশেষ চিকিৎসা শেষে যখন উনাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় তখন ডাক্তাররা ভেবেছিলেন পরিপাকতন্ত্রে আর কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু সেই সমস্যাগুলো একইভাবে ফিরে আসায় তারা একটু চিন্তিত। তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে অপারেশন হবে কিনা সেই সিদ্ধান্তও নিবেন বলে চিকিৎসকরা আমাদের জানিয়েছেন।

২৪ নিউজভিশন ডেস্ক> ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন নিয়ে ২৫ বছরের বেশি সময় একা লড়ছেন একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। তাঁর সংগঠনের নাম এখন জাতীয় স্লোগানে পরিণত হয়েছে। তাঁর আন্দোলনের সূত্রে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন কার্যকরের পর ধর্মঘটকারী বাস-ট্রাকের শ্রমিকেরা ইলিয়াস কাঞ্চনের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছেন। শুধু তা-ই নয়, ইলিয়াস কাঞ্চনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়াসহ তাঁর ছবি অসম্মানজনকভাবে রাস্তায় ঝুলিয়ে রাখতে দেখা যায়। এসব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সমালোচনা হয়। সোমবার  (২৫ নভেম্বর) গুণী এই চলচ্চিত্র তারকার অপমান ও হামলার হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছে চলচ্চিত্র–সংশ্লিষ্ট ১৮টি সংগঠন। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় এফডিসির সামনের রাস্তায় মানববন্ধন করেন এসব সংগঠনের সদস্যরা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান, মহাসচিব বদিউল আলম, পরিচালক সোহানুর রহমান, চিত্রনায়িকা অঞ্জনা, অরুণা বিশ্বাস, ইমন, আলেকজান্ডার বো, মারুফ, শাহিন সুমন, অপূর্ব রানা, ফিল্ম ক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমানসহ চলচ্চিত্রের ১৮টি সংগঠনের নেতারা।
মানববন্ধনে মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রত্যেক মানুষ যাতে পথে নিরাপদে চলতে পারে, তার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। যাঁরা পরিবহনশ্রমিক, সবার নিরাপত্তার জন্যও তাঁর দাবি ভূমিকা রাখবে। তাহলে তাঁকে কেন অপমান করা হচ্ছে? আমরা চাই ইলিয়াস কাঞ্চনকে কেউ ভুল না বোঝে তাঁর দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে সেগুলো বাস্তবায়নে সহমত পোষণ করুন। আমরা চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা তাঁর পাশে আছি।’
মিশা সওদাগর বলেন, ‘ইলিয়াস কাঞ্চন আমাদের কাছে একজন সম্মানিত শিল্পী। দেশের মানুষের নিরাপদের কথা মাথায় নিয়ে ২৫ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষের কল্যাণেই নিবেদিতপ্রাণ। তাঁকে অপমান করা মানে পুরো শিল্পীসমাজকে অপমান করা। আমরা তাঁর অপমান সহ্য করব না। শিল্পীদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করবেন না। নামলে দেশের মধ্যে অনিয়ম হয়ে যাবে।’
মিশা বলেন, ‘২৫ বছর ধরে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনে আছেন কাঞ্চন সাহেব। দেশের মানুষেরও তা প্রাণের দাবি। অবিলম্বে সড়ক পরিবহনের নতুন আইন বাস্তবায়ন করা হোক।’
যাঁরা ইলিয়াস কাঞ্চনকে অসম্মান করে যাচ্ছেন, তাঁদের উদ্দেশে মিশা বলেন, ‘আমরা শিল্পীসমাজ ইলিয়াস কাঞ্চনের পাশে আছি। তিনি ন্যায়ের পক্ষে কাজ করছেন। প্রয়োজন হলে আমরাও রাস্তায় নামব। দয়া করে বাংলার শিল্পীসমাজকে রাস্তায় নামতে বাধ্য করবেন না।’
অরুণা বিশ্বাস বলেন, ‘ইলিয়াস কাঞ্চন দীর্ঘ সময় ধরে এই আন্দোলন করে যাচ্ছেন। আমরা সব সময়ই তাঁর সঙ্গে ছিলাম, আছি। এটি তো দেশের কাজ। শিল্পীরা তাঁর নেতৃত্বে কাজ করছেন।’
১৯৯৩ সালের কথা। এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় এলোমেলো হয়ে যায় গত শতকের নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের জীবন। কারণ, ওই বছরের ২২ অক্টোবর তাঁর একটি ছবির শুটিং দেখতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন। শোকার্ত ইলিয়াস কাঞ্চন এরপর সিদ্ধান্ত নেন, আর সিনেমা করবেন না। একসময় শুরু করেন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন। সাড়াজাগানো অনেক ছবির নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন সেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন এখনো। এভাবে কেটে গেছে ২৫ বছরের বেশি সময়। তাঁর সংগঠনের নাম এখন জাতীয় স্লোগানে পরিণত হয়েছে।

আনন্দ ভুবন ডেস্ক> প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেছেন ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯’ শিরিন আক্তার শিলা। এ সময় আরও ছিলেন এই প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ আলিশা ইসলাম এবং দ্বিতীয় রানারআপ ও ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৭’ জেসিয়া ইসলাম। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। আয়োজকদের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’-এর চেয়ারম্যান রিজওয়ান বিন ফারুক ও পরিচালক তাহরিন ফাইয়াজ হক।
আগামী ৮ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার আটলান্টার টাইলার পেরি স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত হবে ‘মিস ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে এবার অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য ২৭ নভেম্বর রাতে একটি ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন শিরিন আক্তার শিলা।
শনিবার (২৩ নভেম্বর) আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে দোয়া নেওয়ার জন্য গিয়েছিলেন ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯’ শিরিন আক্তার শিলা। এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। প্রধানমন্ত্রী বেশ আগ্রহের সঙ্গে এই প্রতিযোগিতা আর ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯’-এর ব্যাপারে জানতে চেয়েছেন। তিনি শিলার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। এ ধরনের সাক্ষাৎ সত্যিই অনুপ্রেরণার।
গত ২৩ অক্টোবর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশনের নবরাত্রি হলে ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯’ আয়োজনের চূড়ান্ত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সেরা ১০ প্রতিযোগীর মধ্য থেকে মেধা, যোগ্যতা আর সৌন্দর্যের বিচারে বিজয়ী হন ঠাকুরগাঁওয়ের মেয়ে শিরিন আক্তার শিলা। তাঁর মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন সাবেক মিস ইউনিভার্স ও বলিউড তারকা সুস্মিতা সেন।
Select Language