রবিবার, জুন ৭, ২০২০ | ০১:৪৭
২৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ | ১৩ শাওয়াল, ১৪৪১
দেশ-দেশান্তর

২৪ নিউজভিশন.কম>
যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের আগমন নিষিদ্ধ করা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমেরিকা অভিবাসীদের নিয়ে গর্বিত জাতি এবং আমরা এ ধারণার প্রতি আন্তরিক থাকব।’ চরম উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা আর সংশয়ের মধ্যেই রোববার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে এক বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প এ কথা জানালেন।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের আগমন নিষিদ্ধ করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমান নিষিদ্ধ করার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমের ভুল প্রচারণা। আমেরিকা অভিবাসীদের নিয়ে গর্বিত একটি জাতি এবং আমরা এ ধারণার প্রতি আন্তরিক থাকব। দেশের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই তা করা হবে বলে ট্রাম্প তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে ২০১১ সালেও করা হয়েছিল। যে সাতটি মুসলিম দেশের নাম এসেছে, এসব দেশের সঙ্গে জঙ্গিবাদের সংশ্লিষ্টতার নাম এসেছে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়েও।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বের অন্তত আরও ৪০টি মুসলিমপ্রধান দেশ রয়েছে। সেসব দেশের ব্যাপারে তাঁর নির্বাহী আদেশের কোনো প্রভাব নেই। তিন মাসের সাময়িক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে সবকিছু যাচাই করা হবে, আমেরিকার জনগণের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়েই সবকিছু করা হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। সিরিয়ার শরণার্থীদের ব্যাপারেও তিনি সহানুভূতিশীল উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর বিবৃতিতে বলেছেন, এসব শরণার্থীর সাহায্যের জন্য উপায় খোঁজা হবে।

সিরিয়া থেকে শরণার্থী আগমন এবং সাতটি মুসলিম দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আগমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে গত শুক্রবার নির্বাহী আদেশ জারি করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এরপরই শুরু হয় নানা বিশৃঙ্খলা। আকাশপথে যুক্তরাষ্ট্রগামী বহু যাত্রীকে বাইরের বিমানবন্দরেই আটকে দেওয়া হয়। গত শনিবার রাতে নিউইয়র্কের ফেডারেল আদালত নির্বাহী আদেশের ফলে কোনো অভিবাসীকে জোরপূর্বক বিতাড়নের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি করেন।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ জারির সময় ওই সব দেশ থেকে যেসব যাত্রী ফ্লাইটে ছিলেন, তাঁদের অনেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে নেমে সমস্যায় পড়তে হয়। অনেককে আটক করে ডিটেনশন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। শনিবার সকাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিমানবন্দরগুলো পরিণত হয় আতঙ্কের এলাকায়। উদ্বিগ্ন লোকজন ছুটে যায় পরিস্থিতির শিকার অভিবাসীদের সমর্থনে। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একসঙ্গে বিমানবন্দর এলাকায় এমন প্রতিবাদী মানুষের ঢল কখনো দেখা যায়নি। ঢালাওভাবে মুসলমানদের আগমন বন্ধ করা হচ্ছে কি না—এ নিয়ে বাংলাদেশিসহ অন্য অভিবাসীদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। দেশে-বিদেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরসহ আমেরিকার প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে মানুষের ঢল নামে।

রাতভর এসব প্রতিবাদ-বিক্ষোভে মূলত শ্বেতাঙ্গ লোকজনের উপস্থিতিই ছিল বেশি। অভিবাসীবান্ধব হিসেবে পরিচিত আমেরিকার সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ-বিক্ষোভে যোগ দিয়ে অনেকেই বলতে থাকে, এ আমাদের পরিচয় হতে পারে না। উদারনৈতিক রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো রাস্তায় নেমে আসে। নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে একদল শ্বেতাঙ্গ অভিবাসন আইনজীবীদের স্বেচ্ছাসেবা দেওয়ার জন্য পোস্টার হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

সাত দেশের অভিবাসীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জানিয়ে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের প্রতিবাদে রোববার ম্যানহাটানের ব্যাটারি পার্কে বিক্ষোভ।

সাত দেশের অভিবাসীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জানিয়ে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের প্রতিবাদে রোববার ম্যানহাটানের ব্যাটারি পার্কে বিক্ষোভ।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে শুরু হওয়া প্রতিবাদ বিক্ষোভ সর্বত্র ছিল শান্তিপূর্ণ। পরদিন রোববার হোয়াইট হাউসের সামনেও বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে লোকজন অভিবাসীবান্ধব স্লোগান দেন। নিউইয়র্কের স্ট্যাচু অব লিবার্টি দেখা যায় এমন সড়কপথ, ম্যানহাটনের বেটারি পার্ক এলাকায় বড় ধরনের প্রতিবাদ সমাবেশ যোগ দেয় প্রতিবাদকারীরা। জেএফকে বিমানবন্দরে রীতিমতো অবস্থান নিয়ে টানা প্রতিবাদ চলছে। ব্যাপকসংখ্যক বাংলাদেশিরাও এসব প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দেন। মুসলিম দেশ থেকে আনুষ্ঠানিক জোরালো কোনো প্রতিবাদ না এলেও যুক্তরাজ্যসহ জার্মানি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের সমালোচনা করে।

নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত ডেমোক্রেটিক সিনেটর এবং সিনেটে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান চার্লস শুমার বলেছেন, প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ বাতিল করার জন্য কংগ্রেসে প্রচেষ্টা চালানো হবে। কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠ রিপাবলিকানদের সহযোগিতা ছাড়া কিছুই করা সম্ভব নয় বলে সিনেটর চার্লস শুমার বলেছেন।

বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের কোনো দেশ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের তালিকায় না থাকলেও আমাদের অভিবাসীরা অজানা আশঙ্কায় ভুগছেন। অনেকেই তাঁদের অভিবাসন, পারিবারিক অভিবাসন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বাংলাদেশি আইনজীবীসহ বাংলা সংবাদমাধ্যমে তাঁরা ফোন করে খোঁজখবর নিচ্ছেন। নিজেদের অভিবাসন অবস্থা নিয়ে পরামর্শ কামনা করছেন।

এর মধ্যে নিউইয়র্কসহ অন্যান্য অভিবাসীবহুল রাজ্যে বাংলাদেশি নাগরিক সংগঠনগুলো সাধারণ প্রবাসীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। অমূলক উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় না পড়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী প্রথম আলোর কাছে দেওয়া বক্তব্যে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে বাংলাদেশিদের উৎকণ্ঠার কোনো কারণ নেই। যাঁদের গ্রিন কার্ড আছে, বৈধ অভিবাসন আছে, তাঁদের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

নাগরিক আন্দোলনের নেতা আইনজীবী এন মজুমদার বলেছেন, ‘বাংলাদেশসহ যেকোনো অভিবাসীর পক্ষে আমরা দাঁড়াব।’

অভিবাসী আইনজীবী অ্যাটর্নি শেখ সেলিম বলেছেন, নির্বাহী আদেশ কোনো আইন নয়। আমেরিকা আইনের দেশ। যাঁরা গ্রিন কার্ড নিয়ে বা বৈধভাবে আমেরিকায় এসেছেন, তাঁদের এ নির্বাহী আদেশে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিমানবন্দরে কোনো সমস্যায় পড়লে আইনগত প্রতিকার পাওয়ার অধিকার আছে বলে তিনি বলেন।

২৪ নিউজভিশন.কম>
কানাডার কুইবেক সিটি মসজিদে মাগরিবের নামাজের সময় বন্দুকধারীর গুলিতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার (২৯ জানুয়ারি) মসজিদ কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে এক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, কিউবেক সিটি ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের ভেতরে থাকা অন্তত ৪০ জন মানুষের ওপর তিনজন বন্দুকধারী নির্বিচারে গুলি ছোড়ে।

গুলির ঘটনার পর মসজিদ এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে পুলিশ। তবে তারা ঘটনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।

গুলির ঘটনার পর ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স

গুলির ঘটনার পর ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স


মসজিদের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়ানগুই বলেন, ‘এখানে কেন এমন হামলা হলো? এটা বর্বরতা।’
গুলিতে কত লোক আহত হয়েছেন, তা জানা যায়নি। আহত ব্যক্তিদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

২৪ নিউজভিশন.কম>
কানাডার অ্যালবার্টা প্রদেশের ক্যালগেরি হেরিটেজ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয় খালিছ আহমেদ। তিনি মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার হরেকৃষ্ণপুর গ্রামে ১৯৭৩ সালে জন্ম নেন।
কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপার সংসদ সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর ওই আসনটি শূন্য হয়। আগামী ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে সেখানে উপনির্বাচনে ভোট নেওয়া হবে।
সম্প্রতি তিনি মাগুরা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে খালিছ আহমেদ এসব কথা জানান। অনুষ্ঠানে তাঁর বাবা আফসার উদ্দিন আহমেদ ও স্ত্রী হামিদা নাসরিনসহ স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
খালিছ আহমেদ জানান, তিনি কানাডায় এনডিপির ইলেকটোরাল ডিস্ট্রিক্ট অ্যাসোসিয়েশনের দক্ষিণ অ্যালবার্টার সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপার সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করায় তিনি মনোনয়ন পেয়েছেন। জয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে অনেক এগিয়েছে। এখানে এখন মানুষ অনেক ভালো আছেন। তাঁরা তিন বেলা পেট পুরে খেতে পাচ্ছেন। আগামী পাঁচ বছরে দেশ আরও উন্নতি করবে। তিনি এ দেশের জলবায়ু ও ভূতাত্ত্বিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

খালিছ আহমেদ একজন ভূতত্ত্ববিদ। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। পরে নরওয়ে সরকারের বৃত্তি নিয়ে তেল-গ্যাস বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি পরে কানাডার ক্যালগেরিতে যান। সেখানে কর্মজীবনের পাশাপাশি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। এনডিপি থেকে ২০১৫ সালে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করে তিনি পরাজিত হন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে খালিছ আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকার ও সরকারের বাইরে থাকা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আমার আলাপ-আলোচনা হয়েছে। আমি কানাডার মতো বাংলাদেশে সব শ্রেণির মানুষের জন্য “পেনশন পলিসি” বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছি। সরকারকে “স্কিম” খুলতে বলেছি। এটা নিয়ে আমি কাজ করতে চাই। তা ছাড়া আমি জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর কাজ করছি। আমি নির্বাচিত হলে বায়ুদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশে হিসেবে বাংলাদেশকে সুসংবাদ দেব।’

২৪ নিউজভিশন.কম>
ইরানের ভিসা বাতিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবার অস্কার অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তারানে আলিদুসতি। আজ শুক্রবার বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার এক টুইট বার্তায় অভিনেত্রী তারানে আলিদুসতি তাঁর এই অস্কার অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।
সারা বিশ্বে বিনোদন বিভাগে অত্যন্ত সম্মানজনক পুরস্কার ‘অস্কার’ পাওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকেন পরিচালক, অভিনেতা, সংগীতশিল্পী থেকে কলাকুশলী—সবাই। শুধু পুরস্কার পাওয়া নয়, অস্কারের মনোনয়ন পাওয়া বা সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকাটাও সম্মানজনক মনে করেন তাঁরা। তারানে আলিদুসতি অভিনীত ‘দ্য সেলসম্যান’ ছবিটি এবার অস্কারে সেরা বিদেশি ছবি হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছে।
টুইট বার্তায় তারানে বলেন, ‘ইরানিদের ভিসার ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা বর্ণবিদ্বেষমূলক। যদিও এটা (অস্কার) একটা সাংস্কৃতিক মঞ্চ, তারপরও ওই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আমি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস ২০১৭–এর অনুষ্ঠানে যাব না।’
Taraneh-Alidoosti-2

বিবিসি অনলাইনের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি অস্কার অ্যাওয়ার্ডস প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। তবে মনোনয়ন পাওয়া বিদেশি ভাষার ছবির অভিনয়শিল্পীদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি ইরান, ইরাক, সিরিয়া, সুদান, লিবিয়া, সোমালিয়া ও ইয়েমেন—এই সাতটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশের ভিসার আবেদন এক মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন। এ–সংক্রান্ত নথির একটি খসড়া গণমাধ্যমে প্রকাশ করাও হয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস এই নথির ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। যদিও ট্রাম্প গত বুধবার এবিসি নিউজকে বলেছেন, তাঁর এই পরিকল্পনা ‘মুসলিম নিষিদ্ধকরণ’ নয়। বরং সন্ত্রাস দমনই তাঁর উদ্দেশ্য।
ইরানসহ সাতটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশের ভিসার আবেদন বন্ধ করার প্রতিবাদেই অস্কার অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তারানে আলিদুসতি।
ব্রিটিশ অনলাইন পত্রিকা ইনডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারানে অভিনীত সেরা বিদেশি ভাষার ছবি ‘দ্য সেলসম্যান’–এর পরিচালক আসগর ফরহাদি। ২০১২ সালে প্রথম ইরানি ছবির পরিচালক হিসেবে ‘অ্যা সেপারেশন’ ছবির জন্য তিনি অস্কার পেয়েছিলেন।

সফলতার চূড়ায় গিয়ে পৌঁছেছেন সুইডেন প্রবাসী শীর্ষস্থানিয় ব্যবসায়ী মনজুরুল হাসান। অন্য দিকে প্রবাসে বাংলা সংগীতের প্রসারে অস্ট্রলিয়ান প্রবাসী আয়শা রহমান মালা নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি আর টিভির ষ্টারগোল্ড গ্রুপ সীমানা পেরিয়ে লাইভ অনুষ্ঠানে তাদের প্রবাস জীবনের নানা সাফল্যের কথা জানিয়েছেন। এ টকশোটির উপস্থিকা ছিলেন আর টিভির ফারজানা তানি। ভিডিও সংগ্রহ : ইউটিউব/ আর টিভি

Select Language