সোমবার, জুন ১, ২০২০ | ২১:৪৪
১৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ | ৮ শাওয়াল, ১৪৪১
আলোচিত

আনন্দ ভুবন ডেস্ক> বিপিএলের জাঁকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফল করতে ব্যস্ততার শেষ নেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে তৈরি হচ্ছে বিশাল মঞ্চ। সম্প্রচারের দায়িত্বে থাকা গাজী টিভিতে এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে প্রচারণা। বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসছেন বলিউডের জনপ্রিয় দুই তারকা সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ।
বিসিবি আগেই জানিয়েছে, এবার বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জৌলুশের কমতি থাকবে না। জৌলুশ বাড়াতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন আয়োজকেরা। ৮ ডিসেম্বর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এ প্রসঙ্গে সোমবার (২ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দীন চৌধুরী বলেছেন, ‘নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে চাচ্ছি না। এটা বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল চূড়ান্ত করবে। অনেক শিল্পীর সঙ্গে কথা হয়েছে, চূড়ান্তও হয়েছে।’
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শেখ সোহেল অবশ্য নিশ্চিত করেছেন, বলিউড তারকা সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ আসছেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। ভারতীয় তারকা শিল্পীদের মধ্যে আরও থাকছেন সনু নিগম ও কৈলাস খের। বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে আছেন জেমস ও মমতাজ। জমকালো এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১৫ সালে বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসেছিলেন হৃতিক রোশন ও জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। চার বছরের বিরতিতে আবারও বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ আলোকিত করবেন বলিউড তারকারা। শেখ সোহেল বলেছেন, ‘জাঁকালো আয়োজনে ভালো একটা আলোড়ন তৈরি করতে চাই। সালমান খান আর ক্যাটরিনা কাইফ যদি থাকেন, আর কিছু রাখার দরকার আছে? আমাদের সব মনোযোগ এখন ৮ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠানে। সালমান-ক্যাটরিনা একসঙ্গে কমই অনুষ্ঠান করেন। দুই বড় তারকাকে আমরা এক জায়গায় করতে চাচ্ছি, আশা করি অনুষ্ঠানটা অন্য রকম হবে।’
বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল পাঁচটায়। আর ব্যাটে-বলের লড়াই শুরু হবে ১১ ডিসেম্বর।

২৪ নিউজভিশন ডেস্ক> ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে যুদ্ধবিমান থেকে দুটি তেলের ট্যাংক পৃথক স্থানে খসে পড়েছে। রোববার (১ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ২টার দিকে উপজেলার গয়েশপুর বটতলা বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আমিনের মাজারের সামনে ও বড় বড়াই গোলাপ সরকারের বাড়ির সামনে ট্যাংক দুটি খসে পড়ে। তবে এতে কেউ হাতাহত হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাগলা থানাধীন পাইথল ইউনিয়নের ওপর দিয়ে একটি যুদ্ধবিমান উড়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে আরটি-৯৪৫ নম্বরের একটি তেলের ট্যাংক মাজারটির সামনে এবং এর অল্প দূরে বড় বড়াই গ্রামের গোলাপ সরকারের বাড়ির সামনে এলটি-৯৪৫ নম্বরের আরেকটি ট্যাংক পড়ে ধুমড়েমুচড়ে যায়; ভেতরের তেল ছড়িয়ে পড়ে। এতে লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে কৌতূহলী লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় করে। খবর পেয়ে পাগলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
এদিকে রোববার আইএসপিআর জানায়, নিয়মিত মহড়ার সময় রোববার বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান থেকে দুটি তেলের ট্যাংক খুলে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের একটি জনশূন্য স্থানে পড়ে। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

২৪ নিউজভিশন ডেস্ক> উন্নয়ন যদি জনগণের স্বার্থে হয়, তাহলে জীবন ও জীবিকার স্বার্থহানি যাতে না ঘটে, সেটি বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুরোধ জানিয়েছে প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষা মঞ্চ। আগামীতে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জীবন ও জীবিকাকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখার অনুরোধ জানিয়েছে মঞ্চ। শনিবার (৩০ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘরে অনুষ্ঠিত ‘উন্নয়ন, উচ্ছেদ, মানবাধিকার ও পরিবেশ বিপর্যয়’ শীর্ষক গণশুনানিতে এমন অনুরোধ জানানো হয়।
প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষা মঞ্চের আদালতে শনিবার তিনটি বিষয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এগুলো হলো মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রংপুর চিনিকল প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জমি অধিগ্রহণ ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। তিনটি বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করেন মঞ্চের কাছে। জুরি বোর্ডে ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক সি আর আবরার ও উন্নয়ন কর্মী খুশী কবির।

মামলার সাক্ষীরা এসব প্রকল্পের কারণে স্থানীয় সাধারণ মানুষ কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তা তুলে ধরেন। মাতারবাড়ি প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, মাতারবাড়ি প্রকল্পের জন্য যে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, সেখানে লবণ ও মৎস্য চাষ করা হতো। অধিগ্রহণের কারণে ওইসব এলাকার হাজার হাজার মৎস্য ও লবণ চাষি বেকার। তাদের কোনো কর্মসংস্থান করা হয়নি। এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকায় এখন আর সামুদ্রিক কচ্ছপ ও অন্যান্য প্রাণী দেখা যায় না। জমি অধিগ্রহণের জন্য সরকার নির্ধারিত ক্ষতিপূরণও তারা পাননি।
বিশেষজ্ঞ মত দিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশের উন্নয়ন তো জনগণের জন্য। কোনো প্রকল্প গ্রহণের আগে অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হয়। মাতারবাড়ি প্রকল্পে ছাড়পত্র নেওয়া হয়েছে জমি অধিগ্রহণের পর।
এদিকে গোবিন্দগঞ্জের সাপমারা ইউনিয়নের কয়েকটি মৌজার ১৮৪২ একর আদিবাসীদের জমি চিনিকল প্রতিষ্ঠায় অতীতে অধিগ্রহণ করেছিল সরকার। সময়ের পরিক্রমায় সেই চিনিকল বন্ধ হয়ে গেলে অধিগ্রহণকৃত জায়গার ইজারাদাররা সেখানে আখের পরিবর্তে অন্যান্য ফসল চাষ শুরু করে। চিনিকল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারের কাছে ওই জমি ফেরত প্রার্থনা করেন। সুবিধাভোগী একটি মহল সেখানে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের প্রস্তাব করে। এতে ক্ষতিগ্রস্তরা ফুঁসে ওঠেন। তারা সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আবেদন-নিবেদন করেন জমি ফেরতের আশায়। ইতিমধ্যে সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত দুই হাজার ক্ষতিগ্রস্ত অস্থায়ী বাসস্থান তৈরি করে বসবাস করতে থাকেন। কিন্তু ২০১৬ সালে পুলিশের সহায়তায় বসতিদের ওপর হামলা চালায় অসাধু চক্র। কয়েক মাস পর পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবির সহায়তায় কিছু লোক হামলা ও ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা ফুঁসে উঠলে পুলিশের গুলিতে তিনজন আদিবাসী মারা যান। জুরি বোর্ড এসব ক্ষতিগ্রস্তের জীবিকা ও মৌলিক অধিকারের জন্য বিবাদী পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

অনলাইন ডেস্ক> অনেকেরই ঘুম থেকে উঠে চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস আছে। চা বা কফি না খেলে তাদের দিনই যেন শুরু হয় না। তাই বলে কোনো প্রাণীর যদি এমন অভ্যাস হয় তাহলে বিষয়টা কেমন হয়? অবিশ্বাস্য শোনালেও যুক্তরাজ্যে এমনই এক ঘোড়ার খোঁজ পাওয়া গেছে যার দিন শুরু হয় এক কাপ চা দিয়ে।
ইংল্যাণ্ডের লিভারপুলের অ্যালেরটন আস্তাবলে থাকা ২০ বছর বয়সী ওই ঘোড়াটি ১৫ বছর ধরে মিরসেইসাইডের ঘোড়সওয়ার পুলিশ বিভাগে কাজ করছে। জেক নামের ওই ঘোড়াটি তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে চায়ে এতটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছে যে সকালে চা না দিলে সে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানায়।
জানা গেছে, প্রথম প্রথম জেক তার সওয়ারকারীর কাপ থেকে চুরি করে চা খেত। পরে ধীরে ধীরে এটি তার অভ্যাসে পরিণত হয়। মিরসেইসাইড পুলিশ বিভাগও জেকের জন্য এখন আলাদাভাবে চা বরাদ্দ করেছে।
পুলিশ কর্মীরা জানিয়েছে, প্রতিদিন সকালে বড় কাপে করে আলাদাভাবে চা দিতে হয় জেককে। আরাম করে সেই চা পানের পরই সে কাজে যেতে রাজি হয়। মিরসেইসাইড পুলিশ টুইটারে জেকের চা খাওয়া নিয়ে একটা ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে তারা লিখেছে, এক কাপ গরম চা না পেলে জেক বিছানা থেকে উঠতেই চায় না। একবার চা পান করার পরই সে দিনের কাজের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়।
পুলিশ কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ঘন দুধের সঙ্গে দুই চামচ চিনি মেশানো চা জেকের দারুণ পছন্দের। সূত্র : এনডিটিভি

২৪ নিউজভিশন ডেস্ক> বাগেরহাটের শরণখোলা সাউথখালী ইউনিয়নের মধ্যসোনাতলা গ্রামের কবির মুন্সির বাড়ি থেকে ১৮ ফুট লম্বা ৮০ কেজি ওজনের একটি অজগর উদ্ধার করে সুন্দরবনে অবমুক্ত করেছে বনবিভাগ। বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এই ঘটনা ঘটে।
ওয়াইল্ড টিমের মাঠ কর্মকর্তা আলম হাওলাদার জানান, কবির মুন্সির বাড়ির লোকজন অজগর সাপটি দেখে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। পরে সুন্দরবন সুরক্ষায় নিয়োজিত তিন গ্রুপের সদস্যরা মিলে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে অজগরটি ধরতে সক্ষম হয়।
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, ধারণা করা হচ্ছে অজরগরটি ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে পানির স্রোতে সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে চলে যায়। বনবিভাগের সহায়ক উদ্ধাকারী দলের সদস্যরা অজগরটি রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসেন। সাপটি সুন্দরবনের ভোলা টহল ফাড়িঁসংলগ্ন ধাবড়ি এলাকায় অবমুক্ত করা হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক> প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত কারিকুলামে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। এ পরিবর্তনে নবম শ্রেণি থেকে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগ বিভাজন আর থাকছে না। আগামীতে নবম-দশম শ্রেণিতে সবাইকে একই কারিকুলামের একই পাঠ্যবই পড়তে হবে। এতে একজন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক স্তরে সব বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে পারবে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে গিয়ে বিভাগ বিভাজন শুরু হবে। এ লক্ষ্যে কারিকুলাম উন্নয়ন সংশ্নিষ্টদের নিয়ে দফায় দফায় কর্মশালা করে সরকারি পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। কারিকুলাম পরিবর্তনের পাশাপাশি পাঠ্যবইও বদলে যাবে। এবারই প্রথমবারের মতো প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের কারিকুলাম একসঙ্গে পরিবর্তন ও সমন্বয় করা হচ্ছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, নতুন কারিকুলাম অনুসারে নতুন বই ছাপানো হবে। এর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ২০২১ সালে প্রথম শ্রেণি ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী নতুন কারিকুলাম ও বই পাবে। যথাসময়ে বই পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়ে এ স্তরের নতুন কারিকুলাম চূড়ান্ত হবে ২০২০ সালে মাঝামাঝি সময়ে। ২০২২ সালে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি এবং ২০২৩ সালে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইও পরিবর্তন করা হবে।
পাশাপাশি ২০২২ সালে সপ্তম শ্রেণি, নবম ও একাদশ শ্রেণির পাঠ্যবই পরিবর্তন হবে। আর ২০২৩ সালে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন আনা হবে।
কারিকুলামে বড় পরিবর্তনের মধ্যে অষ্টম শ্রেণি থেকে বিভাগ তুলে দিয়ে গুচ্ছ পদ্ধতি চালু করা হবে। ফলে এ স্তরে বিজ্ঞান, মানবিক বা বাণিজ্য নামে কোনো বিষয় থাকবে না। সবাইকে সব বিষয় পড়তে হবে বা বিষয় পছন্দের সুযোগ থাকবে। এতে একজন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক স্তরে সব বিষয়ে জ্ঞান লাভ করবে। সংশ্নিষ্টদের ধারণা, দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর সব বিষয়ে সমান ধারণা থাকা উচিত। নবম শ্রেণির বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগ উঠিয়ে দেওয়া হলে ২০২৩ সাল থেকেই নতুন কারিকুলাম ও বই পাবে।
কারিকুলামে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পাবলিক পরীক্ষার সংখ্যা ও নম্বর কমিয়ে আনা। ফলে শ্রেণিকক্ষে ধারাবাহিক মূল্যায়নের পরিমাণ বাড়ানো হবে। শ্রেণিকক্ষে সব বিষয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নে ২০ নম্বর রাখা হবে। এতে পাবলিক পরীক্ষার নম্বর কমে যাবে। বর্তমানে গার্হস্থ্য অর্থনীতি/কৃষি পরীক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। নতুন কারিকুলামে যুক্ত হবে সব বিষয়।
এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. মশিউজ্জামান সমকালকে বলেন, ‘নতুন কারিকুলাম নিয়ে কাজ চলছে। সে অনুযায়ী বইও পরিবর্তন করা হবে।’
জানা গেছে, প্রাথমিক স্তরেও বর্তমান চাহিদার ওপর ভিত্তি করে কারিকুলামে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়ক এমন বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাঠ্যবইয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থা, জঙ্গিবাদ, নিরাপত্তা বিষয়গুলো যুক্ত করা হবে। শ্রেণিকক্ষে পড়ার পাশাপাশি কাজটি করে দেখানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। যুক্ত থাকবে খেলাধুলাও।
এনসিটিবির সদস্য (প্রাথমিক শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান বলেন, ‘আগে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের জন্য পৃথক সময়ে কারিকুলাম পরিবর্তন হওয়ার কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের কারিকুলামে কোনো সমন্বয় থাকত না। এবারই একসঙ্গে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের কারিকুলাম পরিমার্জন করা হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি হবে না।’
তিনি বলেন, প্রাথমিক স্তরের কারিকুলামের ক্ষেত্রে সময়ের চাহিদাগুলো বিবেচনায় আনা হচ্ছে। বইয়ে কাগজে নৌকার ছবি থাকলে শিক্ষার্থীদের তা শ্রেণিকক্ষেই বানিয়ে দেখাতে হবে। এতে শিশু শিক্ষার্থীর কাজের দক্ষতা বাড়বে।
জানা গেছে, মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের নিয়ে ২০১৬ সালে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যদের নিয়ে ওই বছরের ২৫ ও ২৬ নভেম্বর কক্সবাজারে দু’দিনের আবাসিক কর্মশালা হয়। এতে শিক্ষাবিদরা বেশকিছু সুপারিশ করেন। সেই সুপারিশমালা বাস্তবায়নে কয়েকটি সাব-কমিটিও গঠন করা হয়। শিক্ষাক্রম পর্যালোচনা সাব-কমিটি ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর ৮ দফা প্রস্তাব করেছিল। প্রস্তাবে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষাক্রম বিষয়বস্তুর গুরুত্ব অনুসারে তিন গুচ্ছে ভাগ করার জন্য সরকারকে পরামর্শ দেওয়া হয়। ‘ক’ গুচ্ছে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত। ‘খ’ গুচ্ছে বিজ্ঞান, সমাজ পাঠ (ইতিহাস পৌরনীতি ও ভূগোল)। ‘ক’ ও ‘খ’ গুচ্ছ বাধ্যতামূলক। আর ‘গ’ গুচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি, চারু-কারুকলা, শরীরচর্চা ও খেলাখুলা, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, কৃষি ও গার্হস্থ্য, নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি। এ ছাড়া ‘ঘ’ গুচ্ছে প্রকৌশল প্রযুক্তি (বিদ্যুৎ, যন্ত্র, কাঠ, ধাতু ইত্যাদির ব্যবহারিক জ্ঞান ও প্রয়োগ) যুক্ত করার মত দেন শিক্ষাবিদরা। শিক্ষাবিদরা ‘গ’ গুচ্ছের বিষয়গুলোর জন্য কোনো পাবলিক পরীক্ষা না নিয়ে বিদ্যালয়েই ধারাবাহিক মূল্যায়ন করার পরামর্শ দেন। আর শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের কর্ম ও পেশা নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে নবম ও দশম শ্রেণিতে আগের শ্রেণির গুচ্ছের সঙ্গে ‘ঘ’ গুচ্ছ যুক্ত করার কথা বলেন। এই গুচ্ছে রয়েছে পদার্থ, রসায়ন, জৈববিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত, হিসাব, বিপণন, ব্যবস্থাপনা ও অর্থনীতি। ‘ঘ’ গুচ্ছ থেকে যে কোনো দুটি বিষয় শিক্ষার্থীরা পছন্দ করে নিতে পারবে। শিক্ষার্থীরা ইচ্ছা করলে ‘ঘ’ গুচ্ছ থেকে ঐচ্ছিকভাবে আরও একটি বিষয় নিতে পারবে। তবে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষাবিদরা ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে পাঁচটি বিষয় বাধ্যতামূলক ও দুটি ঐচ্ছিক বিষয় রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। ধর্ম বিষয়ে পাবলিক পরীক্ষা না নিলে সমাজের একটি বিশেষ শ্রেণি ক্ষুব্ধ হতে পারেন। সে বিবেচনায় ধর্ম ও তথ্যপ্রযুক্তি বাধ্যতামূলক বিষয় করার মত দেন তারা। এ ক্ষেত্রে ঐচ্ছিক বিষয় একটি কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। নবম-দশম শ্রেণিতে পাঁচটি বাধ্যতামূলক বিষয় ছাড়া ‘গ’ গুচ্ছ থেকে দুটি ও ‘ঘ’ গুচ্ছ থেকে দুটি বা তিনটি বিষয় নিতে হবে। ফলে এসএসসি পরীক্ষায় ১৪টি থেকে চারটি বিষয় কম যাবে। অর্থাৎ ঐচ্ছিক বিষয়সহ মোট ১০টি বিষয়ের পাবলিক পরীক্ষা হবে।

অনলাইন ডেস্ক> মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না, তা বলাই যায়। তবে সম্প্রতি টুইটে তাঁর শেয়ার করা ছবি দেখলে তা মনে হবে না।
নিজের একটি ছবি পোস্ট করেছেন ট্রাম্প। আর টুইটারের সেই ছবি মনে করিয়ে দিয়েছে সিলভারস্টার স্ট্যালনের ‘রকি থ্রি’ ছবির কথা। ছবিতে দেখা যায় ট্রাম্পের কঠিন পেশি ও পেটানো চেহারা। আর দাঁড়ানোর সেই স্টাইল। তবে শুধু মুখের দিকে তাকালেই বোঝা যাবে পার্থক্যটা। কাল্পনিক চরিত্র বক্সার রকি বালবোয়ার বেশে ট্রাম্পের নতুন ছবি টুইটারে ঝড় তুলেছে।

‘রকি থ্রি’ ছবিতে বক্সারের বেশে সিলভারস্টার স্ট্যালনের মতো ছবি ডোনাল্ড ট্রাম্প পোস্ট করেছেন। ছবিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। ছবি: ট্রাম্পের টুইট থেকে নেওয়া

নিজের এমন বিকৃত ছবি নিজেই পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। আর টুইটারকে মনে করিয়ে দিয়েছেন সিলভারস্টার স্ট্যালনের ‘রকি থ্রি’ ছবির কথা।
রকি থ্রি’ ছবিতে বক্সারের বেশে সিলভারস্টার স্ট্যালন জিতে নিয়েছিলেন লাখো দর্শকের মন। আর সেই ছবির প্রধান চরিত্রকে নিয়ে ট্রাম্প আচমকা এমন ছবি কেন পোস্ট করলেন—এখন সেই আলোচনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে।

অনলাইন ডেস্ক> সুমি, হোসনার পর বাঁচার আকুতি জানিয়ে ভিভিওবার্তা পাঠিয়েছেন সৌদি আরবে নির্যাতিত আরও ৩৫ নারী। দেশটিতে গৃহকর্মীর কাজে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়ে কর্মক্ষেত্র থেকে পালিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন তারা।
গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে নির্যাতনের শিকার এই নারীরা রয়েছেন সৌদি আরবের রাজধানী ঢাকা রিয়াদের সেফ হোমে। কেউ সাত মাস, কেউ দুই মাস ধরে আটকে রয়েছেন সেখানে। দেশে ফিরতে চান তারা।
তাদের পাঠানো ভিডিওবার্তা সংবাদমাধ্য়মের কাছে রয়েছে। এতে দেখা যায়, একজন নারী তাদের দুর্দশার বর্ণনা দিচ্ছেন। পাশে থাকা অন্য নারীরা বিলাপ করে তাদের ওপর চালানো নির্যাতনে কথা বলছেন। প্রাণ বাঁচানোর আকুতি জানাচ্ছেন।
ভিডিও বার্তায় একজন নারী বলেন, ‘প্রবাসী, দেশবাসী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলছি। আমরা ৩৫ জন নারী সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে পুলিশের কাছে ধরা দিয়েছি। কয়েক মাস ধরে অনেক কষ্টে এখানে আছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, আমাদের জীবন ভিক্ষা চাই।’
তিনি বলেন, ‘এখানে মা, বোনেরা আছেন। তাদের অনেকে দেশে সন্তান রেখে এসেছেন। তাদের দেখার মতো কেউ নেই। এখানে অনেকের মা নেই, বাবা নেই। তাদের কে দেখবে? এখানে অনেকে এসে মা হারিয়েছে, সন্তান হারিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে একটাই অনুরোধ, আমাদের জীবন ভিক্ষা দেন। আমাদের এখান থেকে উদ্ধার করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার পায়ে পড়ি। আমাদের জীবন ভিক্ষা দেন।’
সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের রিয়াদ কনস্যুলেটের শ্রম কাউন্সিলর মেহেদি হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, ভিডিও বার্তা পাঠানো নারীরা রিয়াদের সেফ হোমে রয়েছেন। তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ৩৫ নারীর সবার পরিচয় জানা যায়নি। ১৩ জনের নাম ও পাসপোর্ট নম্বর জানা গেছে ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির মাধ্যমে।

২৪ নিউজভিশন ডেস্ক> রাজধানী ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিসান বেকারিতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা মামলার রায়ে আট আসামির মধ্যে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এক আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার আট আসামি হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে র‌্যাশ, সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ। এদের মধ্যে মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজানকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, বুধবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রিজনভ্যানে কারাগার থেকে আসামিদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়।
বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বুধবার সকাল থেকে আদালত পাড়াসহ রাজধানী ঢাকা ও সারাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। রায়সাহেব বাজার মোড় থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পুরো সড়কে বাড়তি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে পুলিশ। সাদা পোশাকেও তৎপর রয়েছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।
২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিসানে জঙ্গি হামলায় নিহত হন দেশি-বিদেশি ২০ জন। হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে পুলিশের দুই কর্মকর্তা এএসপি রবিউল করিম এবং ওসি সালাউদ্দিন খান নিহত হন। পরদিন সকালে সেনা কমান্ডোদের অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রেস্তোরাঁর কর্মী সাইফুল।
দুই বছরের বেশি সময় ধরে তদন্তের পর ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই হামলায় জড়িত ২১ জনকে চিহ্নিত করে তাদের মধ্যে জীবিত আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবর রহমানের আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক বিচার। বিচার শুরুর এক বছরের মাথায় রায় ঘোষণা করা হলো বুধবার।

ক্রীড়াঙ্গন ডেস্ক> ম্যাচে তিন গোলের একটি নিজেই করেছেন। বাকি দুই গোল এসেছে সুয়ারেজ ও গ্রিজমানের কাছ থেকে। ওই দুই গোলেও মেসির অবদান। গোল করেছেন, বাকি দুটি করিয়েছেন— ম্যাচের পুরো আলোটা তো লিওনেল মেসি একাই কেড়ে নিলেন! আর নেবেন নাইবা কেন? প্রিয় ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে বুধবার (২৭ নভেম্বর) যে তাঁর ৭০০তম ম্যাচ। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এর চেয়ে আর বেশি হয়তো করার ছিল না বার্সেলোনার এই আর্জেন্টাইন গোলমেশিনের।
আজকের ম্যাচে রেকর্ড বইয়ের পৃষ্ঠায় আরও একটি তথ্য লিখতে হবে—চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে মেসিই একমাত্র খেলোয়াড় যার আলাদাভাবে ৩৪টি দলের বিপক্ষেই গোল রয়েছে।
ম্যাচের ২য় মিনিট আর ৬০তম মিনিটে টেরস্টেগানকে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার আক্ষেপে নিশ্চিত পুড়বে ডর্টমুন্ডের খেলোয়াড়েরা। ক্যাম্প ন্যুতে পুরো ম্যাচে অতিথিরা খুব বেশি আক্রমণে না উঠতে পারলেও বার কয়েক সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন। বরং ৭৭ মিনিটে জেডন সানচো যে গোলটি করেছেন সেটি হাতছাড়া করা সুযোগগুলোর চেয়ে কঠিনই ছিল। সানচো মাত্র চার নম্বর ইংলিশ খেলোয়াড়, যিনি চ্যাম্পিয়নস লিগে ন্যু ক্যাম্পে গোল করেছেন। অবশ্যই সেটা স্বাগতিকদের বিপক্ষে।
মেসির বাড়ানো বলে ২১তম মিনিটে সুয়ারেজের ওই গোল অফসাইডের ফাঁদে পড়ে বাতিল না হলে বার্সেলোনা প্রথম গোল তখনই পেত। অবশ্য এরপর খুব বেশি ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়নি বার্সা সমর্থকদের। ২৯ মিনিটে সেই মেসি-সুয়ারেজই বল জালে জড়ান। মেসির অসাধারণ এক পাসে নিখুঁত ফিনিশিংয়ের উদাহরণ তৈরি করেন বার্সেলোনার উরুগুইয়ান তারকা সুয়ারেজ। তাহলে মেসি বাদ যাবেন কেন! মিনিট চারেক পর মেসি নিজেও বল জালে জড়ান। এবার গ্রহের অন্যতম সেরা ফুটবলারকে বলের জোগান দেন সুয়ারেজই। এর মিনিট দু-এক আগেই অবশ্য গোলের ভালো সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। কিন্তু মেসি-গ্রিজমানের বল দেওয়া নেওয়ার পর ডি বক্সে জায়গা মতো কেউ ছিল না।
দ্বিতীয়ার্ধে ডর্টমুন্ড বলের দখল নিয়ে খেললেও বার্সেলোনার একের পর এক আক্রমণ সামাল দিতেই দিশেহারা হয়ে পড়ে তাদের রক্ষণ। পাল্টা আক্রমণে ডর্টমুন্ডও বার্সেলোনার সীমানায় ঢোকার চেষ্টা করে। কিন্তু আজ কাতালানদের রক্ষণ ছিল দুর্ভেদ্য। উল্টো ৬৭ মিনিটে গোলহজম করে বসে অতিথিরা। এবার ডর্টমুন্ড সমর্থকদের বুকে ছুরি চালান গ্রিজমান। গ্রিজমানকে মেসি যে পাস দিয়েছেন—এক কথায় চোখে লেগে থাকার মতো। ৭৫তম মিনিটে ফের গোলের সুযোগ পান মেসি। তবে এবার ভাগ্যদেবী তার সঙ্গে ছিলেন না হয়তো! গ্রিজমানের গোলের মিনিট দশেক পর ডর্টমুন্ডের হয়ে জেডন সানচোর গোলটি সফরকারীদের জন্য সান্ত্বনা হয়েই রইল।
Select Language