শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২০ | ২২:৪৭
৩১ শ্রাবণ, ১৪২৭ | ২৪ জিলহজ্জ, ১৪৪১
অর্থ ও বাণিজ্য

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক> প্রণোদনা ও ডলারের দর বৃদ্ধির কারণে প্রবাসীদের দেশে অর্থ পাঠানোর পরিমাণ বাড়ছে উল্লেখযোগ্য হারে। চলতি বছরের শুরু থেকে রেমিট্যান্স আসার পালে যে হাওয়া লেগেছে, তা অব্যাহত রয়েছে। ইতিবাচক এ ধারায় গত মাস নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে ৭৭২ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আগের বছরের একই সময়ে এসেছিল ৬২৯ কোটি ডলার। এ হিসাবে পাঁচ মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৪৩ কোটি ডলার, যা শতকরা হিসাবে প্রায় ২৩ শতাংশ।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একক মাস হিসেবে গত নভেম্বরে ১৫৬ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আগের বছরের একই মাসে এসেছিল ১১৮ কোটি ডলার। এ হিসাবে একই মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৮ কোটি ডলার বা ৩২ শতাংশ বেশি। অবশ্য আগের মাস অক্টোবরে রেমিট্যান্স আসে ১৬৪ কোটি ডলার।
ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আহরণ বাড়াতে চলতি অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। কোনো ঝামেলা ছাড়াই সুবিধাভোগীরা প্রণোদনার অর্থ পাচ্ছেন। সম্প্রতি এক সার্কুলারে ডলার ভিন্ন অন্য মুদ্রায় দেড় লাখ টাকার সমপরিমাণ অর্থ পাঠালেও প্রণোদনা পেতে কাগজ লাগবে না বলে স্পষ্টীকরণ করা হয়েছে। একবারে এর চেয়ে বেশি অর্থ পাঠালে অবশ্য কাগজপত্র দিতে হবে এবং এগুলো জমার সময়সীমা পাঁচ দিন থেকে বাড়িয়ে ১৫ দিন করা হয়েছে। এর সঙ্গে দেশে ডলারের বিপরীতে টাকার দাম বাড়ায় আগের চেয়ে বেশি অর্থ পাচ্ছেন প্রবাসীদের সুবিধাভোগীরা। এ কারণে রেমিট্যান্স বেড়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে, রপ্তানিকারকদের সুবিধা দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও ডলারের দর কিছুটা বাড়াচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার প্রতি ডলার ১০ পয়সা বাড়িয়ে সাড়ে ৮৪ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এর আগে গত মাসের মাঝামাঝি বাড়ানো হয় ৫ পয়সা। গত এক বছরে প্রতি ডলারে বেড়েছে এক টাকা। এ সুফলও পাচ্ছেন প্রবাসীরা। এতে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়ছে।

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক> খেলাপি ঋণ বাড়ার প্রধান কারণ হলো ঋণের উচ্চ সুদহার—এ মত ব্যক্ত করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ঋণের সুদহার কমলে খেলাপি ঋণ এমনিতেই কমে আসবে। রবিবার (১ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলানগরে এনইসি সম্মেলনকক্ষে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনতে একটি কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কমিটি সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। সেই অনুসারে সুদহার কমানো হবে। আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে সব ব্যাংকে এক অঙ্কের সুদহার কার্যকর করা হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি। ১০ বছরের মধ্যে খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকের ব্যালান্স শিট পরিষ্কার হয়ে যাবে বলেও তিনি দৃঢ় আস্থা ব্যক্ত করেন।
ব্যাংকঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনতে রবিবার সন্ধ্যায়ই বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামানকে প্রধান করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, রূপালী ব্যাংকের এমডি ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, আইএফআইসি ব্যাংকের এমডি শাহ এ সারওয়ার ও এনআরবি ব্যাংকের এমডি মেহমুদ হোসেন। এ ছাড়া তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করাসহ সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ।
ঋণখেলাপি হওয়ার লাগাম টেনে ধরার ক্ষেত্রে ব্যর্থতার অকপট স্বীকারোক্তি মিলেছে মন্ত্রীর কথায়। তিনি বলেন, “আমরা একটি জায়গায় শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারিনি, সেটা হচ্ছে খেলাপি ঋণ। খেলাপি ঋণ বাড়ার একটিই কারণ, সেটি হলো আমাদের সুদহার অনেক বেশি। আমাদের মতো এত ‘হাই ইন্টারেস্ট রেট’ পৃথিবীর আর কোনো দেশে নেই। উচ্চ সুদহার কমালে খেলাপি ঋণ এমনিতেই কমে আসবে। তাই আমরা সবাই বসেছিলাম কিভাবে সুদহার কমানো যায়।”
ব্যাংকঋণের সুদহার কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এর সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন গভর্নর। যতজন মেম্বার তিনি (গভর্নর) মনে করেন দরকার, কমিটিতে ততজন থাকবেন। কমিটিতে ব্যাংক, প্রাইভেট এবং পাবলিক খাতের রিপ্রেজেন্টররা থাকবেন। কমিটি ঋণের সুদহার কমানোর সব বিষয়ে নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেবে, কারণ খুঁজে বের করবে। আগামী সাত দিনের মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন গভর্নরের কাছে জমা দেবে। প্রতিবেদনে কিভাবে আমরা সুদহার কমাব, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য থাকবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি আমাদের সুদহার কমবে, পাশাপাশি খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়বে না।’ এ সময় মন্ত্রী জানান, সিংগেল ডিজিটের সুদহার আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হবে।
কমিটিতে কারা থাকবেন, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, ‘কমিটি বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নর, সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নিয়ে গঠিত হচ্ছে। কমিটির সদস্য সংখ্যা হতে পারে মোট সাতজন।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সুদহার সিংগেল ডিজিট করলে অনেক উপকার হবে। কোর্টের যে অর্ডার ছিল, সেটি কিন্তু এখন আর নেই। রায়টি আমরা যেভাবে প্রত্যাশা করেছিলাম, সেভাবেই পেয়েছি। কোর্টের অর্ডার বাস্তবায়িত হলেই ঋণখেলাপি কমে যাবে। আমরা বিশ্বাস করি, ৩১ ডিসেম্বরে আপনারা এর প্রতিফলন দেখতে পাবেন। ঋণখেলাপি বাড়বে না বরং কমের দিকে আসবে। এর আগে টাকা দেওয়া বন্ধের কারণেই ঋণখেলাপি বেড়েছিল। আগামী ১০ বছরের মধ্যে ব্যাংকের ব্যালান্স শিট পরিষ্কার হয়ে একটা পর্যায়ে আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অরিজিৎ চৌধুরী প্রমুখ।

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক> অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বিশ্বকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের শিক্ষা এখন বাংলাদেশ থেকে নিতে হবে। বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে এসে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে উদাহরণ দিয়ে তাদের এ দেশ থেকে উন্নয়নের শিক্ষা নিতে পরামর্শ দিয়ে গেছেন। কারণ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পিপুলিয়া দীঘিরপাড় টিআইকে মেমোরিয়াল মাঠে আয়োজিত উপজেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ছাত্রলীগের কর্মীরাই সংগঠনের প্রাণ। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মীরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় তাদের দায় রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা উন্নয়নের কারিগর এবং উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার।
মুস্তফা কামাল বলেন, চলতি বছর দেশে রেমিট্যান্সে ২৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে। টাকা পাঠানোয় প্রবাসীদের ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ার কারণে এটি সম্ভব হবে। এ বছর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। ভ্যাট আদায়ে শিগগিরই ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) মেশিন বসানো হচ্ছে। এটি হয়ে গেলে ভ্যাট আদায় বাড়বে।
কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন উদ্বোধন করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু তৈয়ব অপি। বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম সারওয়ার, হাজী ইলিয়াস মিয়া, আবদুল মালেক বিকম, আবদুল হামিদ, কল্যাণ মিত্র সিংহ রতন, আবদুল হাই বাবলু প্রমুখ। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন রুবেল।

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক> আকাশপথে পাকিস্তানের করাচি থেকে আনা ৮২ টন পেঁয়াজের প্রথম চালানের কার্গো অবতরণ করেছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।
ঢাকা কাস্টমসের সহকারী কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন জানান, বুধবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে বেসরকারি সিল্কওয়ে এয়ারলাইন্সের ‘সেভেনএল ৩০৮৬’ পণ্য পরিবহনকারী উড়োজাহাজে এই চালান আমদানি হয়। পেঁয়াজগুলো দ্রুত খালাসে কাজ শুরু করেছে কাস্টমসসহ অন্য সংস্থাগুলো।
চালানটির আমদানিকারক ঢাকার শাদ এন্টারপ্রাইজ। চালানটিতে ৮১ টন ৫০০ কেজি পেঁয়াজ রয়েছে।
মিসর, তুরস্ক ও চীন থেকেও কার্গো বিমানে আমদানি করা হচ্ছে পেঁয়াজ।
এ পর্যন্ত আকাশপথে চারটি উড়োজাহাজে পেঁয়াজের চালান আনার সময়সূচি ঠিক হয়েছে। চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের প্রথম চালান আসবে বুধবার রাত ১টায়। সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমানে প্রথম চালানটি এসে পৌঁছাবে। বৃহস্পতিবার বিসমিল্লাহ এয়ারলাইন্সের পণ্যবাহী উড়োজাহাজে দ্বিতীয় চালান আসবে। শুক্রবার তৃতীয় চালান আসবে সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমানে।
আকাশপথে পেঁয়াজের চালান আনার জন্য উদ্ভিদ সংঘনিরোধ কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত দুই হাজার সাত টনের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। শাদ এন্টারপ্রাইজ ছাড়াও এস আলম গ্রুপ অনুমতি নিয়েছে এক হাজার ৯২৫ টনের।
সেপ্টেম্বরের শেষদিকে ভারত তাদের রপ্তানি নিষিদ্ধ করার পর থেকে বাংলাদেশের রান্নাঘরের প্রয়োজনীয় উপাদান পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়।

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক> সারাদেশে পেঁয়াজের দাম যখন লাগামহীন, তখন কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ময়লার ভাগাড়ে বস্তা বস্তা পচা পেঁয়াজ পাওয়া গেছে। রোববার গভীর রাতে উপজেলার গৌরীপুর পূর্ব বাজার সুবল আফতাব উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন সেতুর নিচে কে বা কারা এসব পেঁয়াজ ফেলে যায়।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকালে সেতুর নিচে পেঁয়াজের বস্তার ছবি অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম খান ও গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আ স ম আব্দুর নুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
আ স ম আব্দুর নুর বলেন, ৬০-৭০ বস্তা পেঁয়াজ সেতুর নিচে ময়লার স্তুপে পাওয়া গেছে। করা এ পেঁয়াজ ফেলে গেছে সেটি তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক> ভোক্তা পর্যায়ে চাহিদা কমা, সরকারের বিভিন্ন সংস্থার অভিযানসহ নানা কারণে পাইকারি বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের। পাইকারিতে এক দিনেই কেজিতে দাম কমেছে ২০ টাকা পর্যন্ত। তবে খুচরায় চড়া দাম ধরে রেখেছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে উড়োজাহাজে আমদানির ঘোষণায় বাজারে অস্থিরতাও কিছুটা কমেছে। পেঁয়াজ আসার খবরে ক্রেতারা অনেকটা আশ্বস্ত হয়ে কেনা কমিয়ে দিয়েছেন বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, চাহিদা কম থাকায় পাইকারি ব্যবসায়ীরা তাদের কাছে থাকা পেঁয়াজ এখন দ্রুত বিক্রি করে দিতে চাচ্ছেন।
রোববার (১৭ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকার পুরান ঢাকার পাইকারি আড়ত শ্যামবাজারে কেজিতে ২০ টাকা কমে দেশি পেঁয়াজ ২০০ টাকা, মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং মিসর, তুরস্ক ও চীনের পেঁয়াজ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে কেজিতে ১০ টাকা কমে দেশি পেঁয়াজ ২২০ টাকা, মিয়ানমারের পেঁয়াজ ২০০ টাকা এবং মিসর, তুরস্ক ও চীনের পেঁয়াজ ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হয়।
তবে রাজধানীর খুচরা বাজারে এখনও দেশি পেঁয়াজ কিনতে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। এ ছাড়া মিয়ানমারের পেঁয়াজও ২৩০ থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর মিসর, তুরস্ক ও চীনের পেঁয়াজ ২২০ টাকায় বিক্রি হয়। খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, চড়া দামে কেনা পেঁয়াজ লোকসান দিয়ে বিক্রি করবেন না। কম দামে পেঁয়াজ আনা সম্ভব হলে তখন কম দামে বিক্রি করবেন। তবে বাজারে নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ আরও বাড়ছে। এই পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে খুচরায় দাম কমবে বলে জানান পাইকারি ব্যবসায়ীরা।
শ্যামবাজার বণিক সমিতির সহসভাপতি মো. মাজেদ বলেন, পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় আড়তে ক্রেতা কম। এ কারণে দাম কিছুটা কমেছে। এই সময়ে আমদানি করা পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হলেও দাম কমবে। তিনি বলেন, উড়োজাহাজে আমদানি করা পেঁয়াজ দ্রুত সরবরাহ করা প্রয়োজন। তাহলে দাম আরও কমতে পারে।
কারওয়ান বাজারের আড়তদার শাহ জালাল দাবি করেন, ২৩০ টাকা কেজিতে কেনা দেশি পেঁয়াজ এখন ২২০ টাকায় বিক্রি করছেন। আমদানি করা ১৮০ টাকা দামের পেঁয়াজ একই দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন। তার মতে, পেঁয়াজের চাহিদা কমে যাওয়ায় বাজারে দাম কমছে। আরও কমার ভয়ে আড়তদাররা এখন দাম কমিয়ে বিক্রি বাড়াতে চাচ্ছেন।
তবে পাইকারিতে কমলেও খুচরা বাজারে পেঁয়াজ কিনতে অস্বাভাবিক দাম দিতে হচ্ছে ক্রেতাদের। এ কারণে সাধারণ মানুষ টিসিবির ট্রাক থেকে এখনও লড়াই করেই পেঁয়াজ কিনছেন। গতকালও রাজধানীর খামারবাড়ি, মতিঝিল, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন স্থানে ট্রাকের সামনে দীর্ঘ লাইন ছিল। লাইনে অপেক্ষার পরও ট্রাকের সামনে ধাক্কাধাক্কি করেই কিনতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত ট্রাকে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারেনি টিসিবি। এ কারণে অনেকে পণ্যটি না কিনেই ফেরত যাচ্ছেন। খামারবাড়িতে এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন বিলকিস বেগম। তিনি বলেন, বাসার কাজ শেষ করে আসতে কিছুটা দেরি হওয়ায় পেঁয়াজ কিনতে পারেননি। তার মতো অনেকেই টিসিবির ট্রাকের লাইনে দাঁড়িয়েও খালি হাতে ফিরে গেছেন।
এদিকে বাজারে চড়া দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশজুড়ে অভিযান শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ীরাও চাপে পড়েছেন। এতে দাম কমছে। রাজধানীর পাইকারি পেঁয়াজের আড়ত ও খুচরা বাজারে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের টিম। রোববারও অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের নেতৃত্বে পরিচালিত একটি টিম শ্যামবাজারে অভিযান চালিয়ে আড়তদারদের জরিমানা করেছে। পেঁয়াজের দাম নিয়ে কারসাজি করায় শ্যামবাজারে দুই ব্যবসায়ীকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। শ্যামবাজার ছাড়াও পুরান ঢাকার খুচরা বাজারেও অভিযান চালানো হয়।

২৪ নিউজভিশন ডেস্ক> মিয়ানমার থেকে ৭৯২ মেট্রিক টন পেঁয়াজ টেকনাফ স্থলবন্দরে এসে পৌঁছেছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) নয়টি ট্রলারে করে সাতজন ব্যবসায়ীর কাছে এই পেঁয়াজ এসেছে। এ ছাড়া প্রায় সাত হাজার বস্তাভর্তি চারটি ট্রলার খালাসের অপেক্ষায় জেটিতে নোঙর করে আছে।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের কাস্টসম সুপার আবসার উদ্দিন। তিনি বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে ৩৩ হাজার ৭৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ এসেছে। (১৬ নভেম্বর) সকালে সাতজন ব্যবসায়ী নয়টি ট্রলারে করে ৭৯২ দশমিক ৫৩৭ মেট্রিক টন পেঁয়াজ টেকনাফে নিয়ে আসেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন আমদানিকারক বলেন, দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েই চলছে। এদিকে মিয়ানমারেও পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। হয়তো আর কিছুদিন মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আসতে পারে। পেঁয়াজ আমদানির জন্য সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্দেশনা দেওয়া হলে এই সংকট সৃষ্টি হতো না বলেও মনে করেন তাঁরা।
স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট টেকনাফের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন বলেন, মিয়ানমার থেকে আসা পেঁয়াজভর্তি ট্রলারগুলো দ্রুতগতিতে খালাস করা হচ্ছে।

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক> ঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ব্যাংকগুলোকে সরকারের নির্দেশ মানতেই হবে। যে সব ব্যাংক এক অঙ্ক সুদ হার কার্যকর করবে না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
বুধবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে ক্রয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, কিছু ব্যাংক সিঙ্গেল ডিজিট কার্যকর করলেও অনেকেই করেনি এখনও। যারা করেনি তাদের কার্যকর করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা সহযোগিতা করব। কিন্তু সরকারের নির্দেশ মানতেই হবে। কেউ মানবে, কেউ মানবে না তা চলতে দেওয়া হবে না।
সবার জন্য আইন এক হবে এ কথা উল্লেখ করে মুস্তফা কামাল আরও বলেন, গত বছর প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যাংকগুলো অঙ্গীকার করেছিল সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনবে। এর বিনিময়ে তাদের দেওয়া সব চাহিদা পূরণ করা হয়েছে। সরকার তাদের সব শর্ত পূরণ করলেও অনেক ব্যাংক কথা রাখেনি। তিনি জানান, বাজেটের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক খুব শিগগিরই ব্যাংক খাতের জন্য কমিশন গঠন করা হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কারা সুদহার এক অঙ্ক করেনি তা এখনও অফিসিয়ালি হাতে পাইনি। হাতে পেলে তাদের বলা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মানবে না এমন কোনো ব্যাংকের অস্তিত্ব বাংলাদেশে পাওয়া যাবে না। যদি না মানে তাহলে আমাদের হাতেও রাস্তা আছে। এ জন্য একীভূত ও অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন আইন সংশোধন করা হচ্ছে। সরকারের সিদ্ধান্ত মানবে না এটা অসম্ভব। তবে তাদের (ব্যাংকগুলোর) কথা শোনা হবে। মুদ্রানীতি ও আর্থিক নীতি দিয়ে সাহায্য করা হবে। এটি নির্বাচনী ইশতেহারে আছে। সুতরাং সিঙ্গেল ডিজিট কার্যকর হতেই হবে। এ জন্য উইন-উইন সিচুয়েশনে কাজ করা হবে।
ঋণ পুনঃতফসিলের সময় বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সময়টা একটু বাড়িয়ে দিয়েছি। এটা এমন কিছু নয়। সবাই হয়তো ধারণা করছে, ভালো এবং খারাপ ঋণগ্রহীতা সব এক হয়ে যাচ্ছে। ভালো-মন্দ এক হবে না। যারা ২ শতাংশ দিয়ে ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা নিয়েছে তারা এমনি এমনি ব্যবসা করতে পারবে না। ব্যবসা করতে হলে তাদের কিছু ডিপোজিট দিতে হবে। ডিপোজিট ছাড়া ব্যবসা করতে পারবে না। তবে যারা ভালো ঋণ গ্রহীতা তাদের জন্য বাড়তি ডিপোজিটের প্রয়োজন হবে না।
২ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট দিয়ে ঋণ পুনঃতফসিলের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট কোনো বিষয় নয়। বিষয় হলো, এই টাকা দিয়ে তাদের (ঋণখেলাপিদের) নিশ্চিত করতে হবে যে, তারা আমাদের সঙ্গে আছে। আমাদের প্রস্তাবে যে রাজি এর মাধ্যমে প্রমাণ হবে। একই সঙ্গে বাস্তবায়নের জন্য তারা এগিয়ে আসবে।
মন্ত্রী বলেন, এখানে উইন-উইন সিচুয়েশন হবে। তবে কাউকে জেলে পাঠানো হবে না। চেষ্টা করা হবে টাকা আদায়ের। টাকা আদায় করতেই হবে। কারণ এটা জনগণের টাকা।
বিভিন্ন খাতে আমাদের সংস্কারমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজার, ব্যাংকিং খাত, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ (এনবিআর) সব জায়গায় সংস্কার লাগবে। সব জায়গায় সংস্কার না আনলে আমরা অনেক জায়গায় পিছিয়ে থাকব। এখন যা আছে তা ২০-২৫ বছর আগের। এগুলোকে সংস্কার করতে হবে।

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক> বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) টাকা কোথা থেকে আসে, এমন প্রশ্ন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের। সোমবার (৪ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগরে নিজ দপ্তরে জাপান সরকারের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে প্রশ্নটি করেন।
রোববার ‘বাংলাদেশের উন্নয়নের স্বাধীন পর্যালোচনা: ২০১৯-২০ অর্থবছর প্রারম্ভিক মূল্যায়ন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিকে ‘সুতা কাটা ঘুড়ির’ সঙ্গে তুলনা করেন সিপিডি সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। ওই দিন তিনি বলেন, কাটা সুতার সঙ্গে যেমন ঘুড়ির সম্পর্ক থাকে না, তেমনি বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও প্রবৃদ্ধির সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক নেই।
এ নিয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সিপিডি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু তাদের টাকা কোথা থেকে আসে? সরকারের তো রাজস্ব পাওয়ার জায়গা আছে। তারা কোথা থেকে টাকা পায়? এ প্রশ্নের জবাব আমি চাই। এটা সম্পর্কে আমি তাদের কাছ থেকে পরিষ্কার বিবৃতি চাই।’
অর্থমন্ত্রীর করা অন্য প্রশ্নগুলো হচ্ছে, সিপিডি কতজন লোকের চাকরির ব্যবস্থা করছে? কোন কোন প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে? তারা এ দেশের কারও না কারও জন্য কাজ করতে টাকা পায়। সেই কাজটা তারা করছে কিনা, তাও জানা দরকার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সিপিডির অবস্থান এক রকম এবং আমাদের এক রকম। একটা কথা আছে, যার নুন খাই তার গুণ গাই। আমি নুন খাই দেশের জনগণের। আমি গুণকীর্তন করব দেশের জনগণের। উনারা কারটা খান, আমি জানি না। উনারা কার গুণকীর্তন করেন, তাও আমি জানি না।’ তবে সিপিডি যে সবসময় খারাপ বলে, তেমনটা তিনি মনে করেন না। তিনি বলেন, সিপিডি কিছু গঠনমূলক তথ্যও দেয়।

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক> গ্রামীণফোন ও রবির কাছ থেকে পাওনা আদায়ের বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আদালতের মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হবে। আদালতের মাধ্যমে হলে উভয় পক্ষের জন্যই ভালো হবে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বুধবার (৩০ অক্টোবর) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দাবি অনুযায়ী, গ্রামীণফোন ও রবির কাছে সরকারের পাওনা ১৩ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা। গ্রামীণফোনের কাছে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি এবং রবির কাছে ৮৬৭ কোটি টাকা।
অর্থমন্ত্রী বলেন, কয়েক দফা বৈঠক হওয়ায় পর আদালতের বাইরে একটা সমাধানের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু তারা টাকা দেয়নি। আলোচনাও আর এগোয়নি। আর মামলা আগেই হয়ে গেছে। মামলা হয়ে গেলে নিষ্পত্তি করতে আদালতের মাধ্যমেই করতে হয়।
অর্থমন্ত্রী এও বলেন, ‘আমরা মনে করি আদালতে না গিয়ে বাইরে সমাধান হওয়া উচিত। তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর আমরা সরকার যেভাবে এগিয়ে এসেছিলাম। সরকারি মনোভাব না দেখিয়ে আন্তরিকভাবে এগিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু সে ধরনের সহযোগিতা পাইনি। টাকা দেবে, টাকা দেবে বলে অনেক দিন অপেক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু তারা টাকা দেয়নি।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, এখানে ১০-২০ টাকার ব্যাপার নয়, অনেক টাকার ব্যাপার। আমাদের দাবি একটা পরিমাণ, তাদের হিসাবে পরিমাণ আরেকটা। এর মধ্যে পার্থক্য বিশাল। ছোট ছোট অঙ্ক হলে নিজেরা বসে সুরাহা করা যেত।
গ্রামীণফোন ও রবিকে ইঙ্গিত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তাদের সময় দিয়েছিলাম। তারা চুক্তিও করল। কিন্তু হয়নি। তাদের মনে হয় আবার পর্ষদ বৈঠক করতে হবে।’
নিষ্পত্তির এমন উদ্যোগে আপনার প্রাপ্তি কি-জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমার প্রাপ্তি হচ্ছে চেষ্টা করেছি। আমার করণীয় আমি করেছি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা হয়নি।’
Select Language